

বিডিজেন ডেস্ক

পিএইচডি প্রোগ্রামে বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছে হংকং। নির্বাচিত বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর দেওয়া হয় পিএইচডি ফেলোশিপ। বাংলাদেশসহ যে কোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
প্রতি বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের ৩০০টি পিএইচডি ফেলোশিপ দেওয়া হয়। বিজ্ঞান, চিকিৎসা, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসা শিক্ষা থেকে আবেদন করা যাবে। হংকংয়ে পিএইচডি করতে চাইলে এই স্কলারশিপ হতে পারে সেরা অপশন।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
ফেলোশিপ প্রাপ্তদের তিন বছর পর্যন্ত বার্ষিক উপবৃত্তি প্রদান করা হবে। বছরপ্রতি দেওয়া হবে ৪৩ হাজার ২৩০ মার্কিন ডলার। একটি কনফারেন্স ও গবেষণা ভ্রমণ ভাতা প্রদান করা হবে ১ হাজার ৭৯০ ডলার। তবে এই পরিমাণ বছর বছর কমবেশি হতে পারে। এ ছাড়া অধ্যয়নরত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়ে থাকে।
পড়তে পারবেন সিটি ইউনিভার্সিটি অব হংকং, হংকং ব্যাপটিস্ট ইউনিভার্সিটি, লিংনান ইউনিভার্সিটি, দ্য চায়নিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং, দ্য এডুকেশন ইউনিভার্সিটি অব হংকং, দ্য হংকং পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি, দ্য হংকং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, দ্য ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ের যেকোনো একটিতে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
ফুল-টাইম পিএইচডিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক বিদেশি শিক্ষার্থীরা ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। একাডেমিক রেজাল্ট ভালো হতে হবে। ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদ আইইএলটিএস লাগবে। তবে একাডেমিক কোর্স ইংরেজি ভাষায় হলে আইইএলটিএসের প্রয়োজন নেই। গবেষণা দক্ষতা ও সম্ভাবনা থাকতে হবে। যোগাযোগ ও আন্তঃব্যক্তিক দক্ষতা থাকতে হবে। আবেদনে নির্দিষ্ট বয়সসীমা নেই।
বিদেশে পড়াশোনায় যেসব ডকুমেন্টস লাগে এখানেও সেগুলোই চলবে। ট্রান্সক্রিপ্ট, লেটার অব মোটিভেশন, দুইটি রেকমেন্ডেশন লেটার, পূরণকৃত আবেদনপত্র, সিভি, প্রুফ অব রেসিডেন্স, পাসপোর্ট বা আইডির স্ক্যান কপি, ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদ।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
হংকং ফেলোশিপের সময়কাল তিন বছর। হংকংয়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসে তাদের শিক্ষাবর্ষ শুরু করে। অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন করতে হবে। নির্বাচিত হলে পরবর্তী সময়ে সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদন চলে বছরের শেষদিকে।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।

পিএইচডি প্রোগ্রামে বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছে হংকং। নির্বাচিত বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর দেওয়া হয় পিএইচডি ফেলোশিপ। বাংলাদেশসহ যে কোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
প্রতি বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের ৩০০টি পিএইচডি ফেলোশিপ দেওয়া হয়। বিজ্ঞান, চিকিৎসা, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসা শিক্ষা থেকে আবেদন করা যাবে। হংকংয়ে পিএইচডি করতে চাইলে এই স্কলারশিপ হতে পারে সেরা অপশন।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
ফেলোশিপ প্রাপ্তদের তিন বছর পর্যন্ত বার্ষিক উপবৃত্তি প্রদান করা হবে। বছরপ্রতি দেওয়া হবে ৪৩ হাজার ২৩০ মার্কিন ডলার। একটি কনফারেন্স ও গবেষণা ভ্রমণ ভাতা প্রদান করা হবে ১ হাজার ৭৯০ ডলার। তবে এই পরিমাণ বছর বছর কমবেশি হতে পারে। এ ছাড়া অধ্যয়নরত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়ে থাকে।
পড়তে পারবেন সিটি ইউনিভার্সিটি অব হংকং, হংকং ব্যাপটিস্ট ইউনিভার্সিটি, লিংনান ইউনিভার্সিটি, দ্য চায়নিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং, দ্য এডুকেশন ইউনিভার্সিটি অব হংকং, দ্য হংকং পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি, দ্য হংকং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, দ্য ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ের যেকোনো একটিতে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
ফুল-টাইম পিএইচডিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক বিদেশি শিক্ষার্থীরা ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। একাডেমিক রেজাল্ট ভালো হতে হবে। ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদ আইইএলটিএস লাগবে। তবে একাডেমিক কোর্স ইংরেজি ভাষায় হলে আইইএলটিএসের প্রয়োজন নেই। গবেষণা দক্ষতা ও সম্ভাবনা থাকতে হবে। যোগাযোগ ও আন্তঃব্যক্তিক দক্ষতা থাকতে হবে। আবেদনে নির্দিষ্ট বয়সসীমা নেই।
বিদেশে পড়াশোনায় যেসব ডকুমেন্টস লাগে এখানেও সেগুলোই চলবে। ট্রান্সক্রিপ্ট, লেটার অব মোটিভেশন, দুইটি রেকমেন্ডেশন লেটার, পূরণকৃত আবেদনপত্র, সিভি, প্রুফ অব রেসিডেন্স, পাসপোর্ট বা আইডির স্ক্যান কপি, ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদ।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
হংকং ফেলোশিপের সময়কাল তিন বছর। হংকংয়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসে তাদের শিক্ষাবর্ষ শুরু করে। অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন করতে হবে। নির্বাচিত হলে পরবর্তী সময়ে সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদন চলে বছরের শেষদিকে।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
চলতি বছরের ১৫ মে পর্যন্ত এই স্কলারশিপের আবেদন করা যাবে। আবেদনকারীকে ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় শর্তাবলি মেনে আবেদন করতে হবে।
বিদেশে উচ্চশিক্ষা থেকে শুরু করে চাকরির আবেদনে পূর্বশর্ত হিসেবে আইইএলটিএস স্কোরের কথা উল্লেখ করা থাকে। তবে আন্তর্জাতিক ভালো মানের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পরীক্ষার সনদ ছাড়াও পড়াশোনা করা সম্ভব।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকার দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশকে (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান) স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
জ্যান নামের একজন শিক্ষার্থী বিডিজেনকে বলেন, বর্তমানে আমি নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছি। এখানে বিবিএ শেষ করে অস্ট্রেলিয়াতে এমবিএ করতে চাই। তবে এমবিএ করার ক্ষেত্রে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কি ধরনের স্কলারশিপ দিচ্ছে এসব তথ্য জানার জন্য এসেছি।