বিডিজেন ডেস্ক
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় অন্যতম পছন্দের জায়গা হতে পারে ইউরোপের দেশ আয়ারল্যান্ড। বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ৩ শতাংশই রয়েছে দেশটিতে। অনেক শিক্ষার্থী এখন পাড়ি জমাচ্ছেন আয়ারল্যান্ডে। এর অন্যতম কারণ, উচ্চশিক্ষায় আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন স্কলারশিপ।
যারা স্কলারশিপ চান তাদের জন্য দারুণ খবর, প্রতি বছর বেশকিছু স্কলারশিপ দিয়ে থাকে আয়ারল্যান্ড সরকার ও দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এর মধ্যে সেরা ৫টি স্কলারশিপ নিয়ে আজ আলোচনা করা যাক।
গ্র্যাটান স্কলারশিপ
২০১২ সাল থেকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের এই স্কলারশিপ দেওয়া হচ্ছে। এর আওতায় গ্র্যাজুয়েশন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ও পিএইচডি করতে পারবেন যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা। আইরিশ কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেম, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, মার্কেটস, জাস্টিস অ্যান্ড ভ্যালুস, মাইগ্রেশন অ্যান্ড ক্লাস্টারিং, আরবান অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইকোনমিক্সসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়তে পারবেন উচ্চশিক্ষায়। গবেষণা সুবিধা, বিভিন্ন একাডেমিক সুবিধা ও অত্যাধুনিক গবেষণা প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ থাকছে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
ইউনিভার্সিটি অব লিমেরিক স্কলারশিপ
প্রতি বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ও পিএইচডি করার সুযোগ দিয়ে থাকে আয়ারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব লিমেরিক। বিনা খরচে পড়াশোনার পাশাপাশি জীবনযাত্রার খরচের অর্থও দেওয়া হয় এর আওতায়। একাডেমিক যোগ্যতা ও আর্থিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে টিউশন ফি, বাসস্থান ও জীবনযাত্রার খরচ সুবিধা পাওয়া যায়। চমৎকার পরিবেশে গবেষণা করা যাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
আয়ারল্যান্ড সরকারের বৃত্তি
ইউরোপের বাইরের দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি দিয়ে থাকে আইরিশ সরকার। এই বৃত্তির নাম গভর্নমেন্ট অব আয়ারল্যান্ড স্কলারশিপ। এর আওতায় গ্র্যাজুয়েশন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ও পিএইচডি করতে পারবেন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও। ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপটি টিউশন ফি ও এক বছরের নিবন্ধন ফি মওকুফ করার পাশাপাশি ১০ হাজার ইউরো উপবৃত্তি দিয়ে থাকে। আয়ারল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাডেমিক ও পেশাদার জীবনে দক্ষতা বৃদ্ধির চমৎকার সুযোগ পাবেন এর আওতায়।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
হার্ডিম্যান পিএইচডি স্কলারশিপ
পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ও পিএইচডি করতে প্রতি বছর স্কলারশিপ দিয়ে থাকে আয়ারল্যান্ডের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ এই স্কলারশিপের নাম হার্ডিম্যান পিএইচডি স্কলারশিপ। নীতিমালা প্রণয়ন ও সমাজ উন্নয়ন, সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতি সমৃদ্ধি করে–এমন পাঁচটি ক্ষেত্রে গবেষণা করতে চাইলে এটি পাওয়া যাবে। বিশ্বমানের সুযোগ এবং নেতৃস্থানীয় শিক্ষাবিদদের সঙ্গে থেকে দক্ষতা উন্নয়ন, অত্যাধুনিক গবেষণায় নিযুক্ত হওয়া, অগ্রগতিতে অবদান রাখা যাবে এর মাধ্যমে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
জেনারেশন স্টাডি স্কলারশিপ
ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিনের সহযোগিতায় স্কলারশিপটি দেওয়া হয়। এর আওতায় গ্র্যাজুয়েশন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ও পিএইচডি করতে পারবেন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও। একাডেমিক লক্ষ্য অর্জন ও অভিজ্ঞতা পেতে সহায়তা করার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে এই স্কলারশিপ।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় অন্যতম পছন্দের জায়গা হতে পারে ইউরোপের দেশ আয়ারল্যান্ড। বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ৩ শতাংশই রয়েছে দেশটিতে। অনেক শিক্ষার্থী এখন পাড়ি জমাচ্ছেন আয়ারল্যান্ডে। এর অন্যতম কারণ, উচ্চশিক্ষায় আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন স্কলারশিপ।
যারা স্কলারশিপ চান তাদের জন্য দারুণ খবর, প্রতি বছর বেশকিছু স্কলারশিপ দিয়ে থাকে আয়ারল্যান্ড সরকার ও দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এর মধ্যে সেরা ৫টি স্কলারশিপ নিয়ে আজ আলোচনা করা যাক।
গ্র্যাটান স্কলারশিপ
২০১২ সাল থেকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের এই স্কলারশিপ দেওয়া হচ্ছে। এর আওতায় গ্র্যাজুয়েশন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ও পিএইচডি করতে পারবেন যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা। আইরিশ কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেম, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, মার্কেটস, জাস্টিস অ্যান্ড ভ্যালুস, মাইগ্রেশন অ্যান্ড ক্লাস্টারিং, আরবান অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইকোনমিক্সসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়তে পারবেন উচ্চশিক্ষায়। গবেষণা সুবিধা, বিভিন্ন একাডেমিক সুবিধা ও অত্যাধুনিক গবেষণা প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ থাকছে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
ইউনিভার্সিটি অব লিমেরিক স্কলারশিপ
প্রতি বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ও পিএইচডি করার সুযোগ দিয়ে থাকে আয়ারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব লিমেরিক। বিনা খরচে পড়াশোনার পাশাপাশি জীবনযাত্রার খরচের অর্থও দেওয়া হয় এর আওতায়। একাডেমিক যোগ্যতা ও আর্থিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে টিউশন ফি, বাসস্থান ও জীবনযাত্রার খরচ সুবিধা পাওয়া যায়। চমৎকার পরিবেশে গবেষণা করা যাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
আয়ারল্যান্ড সরকারের বৃত্তি
ইউরোপের বাইরের দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি দিয়ে থাকে আইরিশ সরকার। এই বৃত্তির নাম গভর্নমেন্ট অব আয়ারল্যান্ড স্কলারশিপ। এর আওতায় গ্র্যাজুয়েশন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ও পিএইচডি করতে পারবেন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও। ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপটি টিউশন ফি ও এক বছরের নিবন্ধন ফি মওকুফ করার পাশাপাশি ১০ হাজার ইউরো উপবৃত্তি দিয়ে থাকে। আয়ারল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাডেমিক ও পেশাদার জীবনে দক্ষতা বৃদ্ধির চমৎকার সুযোগ পাবেন এর আওতায়।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
হার্ডিম্যান পিএইচডি স্কলারশিপ
পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ও পিএইচডি করতে প্রতি বছর স্কলারশিপ দিয়ে থাকে আয়ারল্যান্ডের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ এই স্কলারশিপের নাম হার্ডিম্যান পিএইচডি স্কলারশিপ। নীতিমালা প্রণয়ন ও সমাজ উন্নয়ন, সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতি সমৃদ্ধি করে–এমন পাঁচটি ক্ষেত্রে গবেষণা করতে চাইলে এটি পাওয়া যাবে। বিশ্বমানের সুযোগ এবং নেতৃস্থানীয় শিক্ষাবিদদের সঙ্গে থেকে দক্ষতা উন্নয়ন, অত্যাধুনিক গবেষণায় নিযুক্ত হওয়া, অগ্রগতিতে অবদান রাখা যাবে এর মাধ্যমে।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
জেনারেশন স্টাডি স্কলারশিপ
ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিনের সহযোগিতায় স্কলারশিপটি দেওয়া হয়। এর আওতায় গ্র্যাজুয়েশন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ও পিএইচডি করতে পারবেন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও। একাডেমিক লক্ষ্য অর্জন ও অভিজ্ঞতা পেতে সহায়তা করার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে এই স্কলারশিপ।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের জন্য স্কলারশিপ দিচ্ছে। এই স্কলারশিপের জন্য অন্য দেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পান। তাঁদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ব্রিটিশ কাউন্সিল তৎপর। এ জন্য তারা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব মনোভাব চায়।
এ স্কলারশিপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার সুযোগ এবং তুরস্ক ও উগান্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ বছরের একটি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে।