বিডিজেন ডেস্ক
বিশ্বের প্রায় ১৮০ দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ বৃত্তি দেয় সুইজারল্যান্ড। ‘দ্য সুইস গভর্নমেন্ট এক্সিলেন্স স্কলারশিপ’ নামে সুইজারল্যান্ড সরকারের এ বৃত্তিতে আবেদনের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদেরও। এর আওতায় রিসার্চ ফেলোশিপ, পিএইচডি স্কলারশিপ ও পোস্ট ডক্টরাল স্কলারশিপ দিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ড।
এ বছর এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আংশিক টিউশন ফি প্রদান করা হয়। মাসে মাসে ভাতা ও স্বাস্থ্যবিমা তো থাকছেই। এ ছাড়া যাতায়াতের জন্য বিমানভাড়া দেওয়া হয় তহবিল থেকে। আবাসন-ভাতা সাপোর্ট সার্ভিস এবং বিভিন্ন ট্রিপ, ডিনার ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। আর এই সবকিছু দেওয়া হয় এই স্কলারশিপের আওতায়। দেশটির কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ মিলবে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। থাকতে হবে একাডেমিক ভালো ফল। ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে। সাধারণ ও নির্দিষ্ট যোগ্যতার মানদণ্ডের বিস্তারিত তথ্যের জন্য নিজ দেশের নির্দিষ্ট করে দেওয়া শিটগুলো ওয়েবসাইটে দেখতে হবে। বিশেষ কমিটির মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
আবেদন করা যায় অনলাইনে। প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে আবেদনের সুযোগ দেয় সুইস সরকার। এ বছর আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
বিশ্বের প্রায় ১৮০ দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ বৃত্তি দেয় সুইজারল্যান্ড। ‘দ্য সুইস গভর্নমেন্ট এক্সিলেন্স স্কলারশিপ’ নামে সুইজারল্যান্ড সরকারের এ বৃত্তিতে আবেদনের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদেরও। এর আওতায় রিসার্চ ফেলোশিপ, পিএইচডি স্কলারশিপ ও পোস্ট ডক্টরাল স্কলারশিপ দিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ড।
এ বছর এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আংশিক টিউশন ফি প্রদান করা হয়। মাসে মাসে ভাতা ও স্বাস্থ্যবিমা তো থাকছেই। এ ছাড়া যাতায়াতের জন্য বিমানভাড়া দেওয়া হয় তহবিল থেকে। আবাসন-ভাতা সাপোর্ট সার্ভিস এবং বিভিন্ন ট্রিপ, ডিনার ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। আর এই সবকিছু দেওয়া হয় এই স্কলারশিপের আওতায়। দেশটির কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ মিলবে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। থাকতে হবে একাডেমিক ভালো ফল। ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে। সাধারণ ও নির্দিষ্ট যোগ্যতার মানদণ্ডের বিস্তারিত তথ্যের জন্য নিজ দেশের নির্দিষ্ট করে দেওয়া শিটগুলো ওয়েবসাইটে দেখতে হবে। বিশেষ কমিটির মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
আবেদন করা যায় অনলাইনে। প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে আবেদনের সুযোগ দেয় সুইস সরকার। এ বছর আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘গ্র্যাজুয়েট প্লাস’ ভিসা চালুর সম্ভাবনা রয়েছে। এটি কার্যকর হলে বাংলাদেশের হাজারো শিক্ষার্থীর জন্য মালয়েশিয়ার ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে উচ্চদক্ষতার চাকরির সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আগামী বছর (২০২৬) বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সর্বোচ্চ সীমা ৯ শতাংশ বাড়িয়ে ২ লাখ ৯৫ হাজারে উন্নীত করবে অস্ট্রেলিয়া। এতে অগ্রাধিকার পাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর শিক্ষার্থীরা। গতকাল সোমবার (৪ আগস্ট) দেশটির সরকার এই ঘোষণা দিয়েছে।
২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে কানাডার স্টাডি পারমিটের (শিক্ষা অনুমতি) জন্য ব্যাংক সলভেন্সি (আর্থিক সক্ষমতা বা দীর্ঘমেয়াদি দেনা পরিশোধের সক্ষমতা) নীতিমালায় পরিবর্তন আসছে।