
বিডিজেন ডেস্ক

উচ্চশিক্ষায় বর্তমানে বাংলাদেশিদের জন্য বেশ আলোচিত একটি দেশ দক্ষিণ কোরিয়া। বিশেষ করে যারা কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত, তারা দেশটিতে যেতে চান। এ জন্য কোরিয়ান ভাষা শেখার প্রবণতাও বেড়েছে। এই দেশটিতেই আপনি চাইলে করতে পারবেন গ্র্যাজুয়েশন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন। প্রতি বছরই এই সুযোগ দেওয়া হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি দেয়। তেমনই বৃত্তি দিয়ে থাকে কোরিয়া অ্যাডভান্সড ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (কেএআইএসটি)। প্রতি বছর নির্দিষ্ট সংখ্যক আন্তর্জাতিক আন্ডারগ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ ও গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ দেয় তারা।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
সম্পূর্ণ অর্থায়িত এ বৃত্তির আওতায় কোরিয়া অ্যাডভান্সড ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে ৪ বছরের ব্যাচেলর ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। পড়ালেখার সুযোগ রয়েছে ১৫ থেকে ২০টি কোর্সে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ করবে দক্ষিণ কোরিয়া। সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। জীবনযাত্রার ব্যয় ভাতা হিসেবে মাসে ৩ লাখ ৫০ হাজার উয়ন (৩১ হাজার ৭৭৫ টাকা) দেওয়া হবে এবং স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা রয়েছে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের অবশ্যই উচ্চমাধ্যমিক কিংবা ব্যাচেলরে উত্তীর্ণ হতে হবে। দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রার্থীরা আবেদনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
কলেজ অব ন্যাচারাল সায়েন্সেসের অধীনে পদার্থবিদ্যা, গাণিতিক বিজ্ঞান ও রসায়ন; কলেজ অব লাইফ সায়েন্স অ্যান্ড বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধীনে জৈবিক বিজ্ঞান; ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধীনে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স, সিভিল ও এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিংসহ আরও বেশ কিছু কোর্সে অধ্যয়ন করা যাবে।
আবেদনপত্র, একটি সুপারিশপত্র, পাসপোর্ট বা ন্যাশনাল আইডির কপি, ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষার রিপোর্ট, স্ট্যান্ডার্ডাইজড অফিশিয়াল টেস্ট স্কোর রিপোর্ট ও আর্থিক সম্পদের বিবৃতি লাগবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
আগ্রহী প্রার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়টির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের লিংকে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। ‘আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ’ এ আবেদন করা যায় বছরের তিনটি সময়ে। এগুলো হলো স্প্রিং এন্ট্রি (আগস্ট-সেপ্টেম্বর), আর্লি ট্রাক ফল এন্ট্রি (ডিসেম্বর) ও রেগুলার ফল এন্ট্রি (মার্চ)।

উচ্চশিক্ষায় বর্তমানে বাংলাদেশিদের জন্য বেশ আলোচিত একটি দেশ দক্ষিণ কোরিয়া। বিশেষ করে যারা কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত, তারা দেশটিতে যেতে চান। এ জন্য কোরিয়ান ভাষা শেখার প্রবণতাও বেড়েছে। এই দেশটিতেই আপনি চাইলে করতে পারবেন গ্র্যাজুয়েশন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন। প্রতি বছরই এই সুযোগ দেওয়া হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি দেয়। তেমনই বৃত্তি দিয়ে থাকে কোরিয়া অ্যাডভান্সড ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (কেএআইএসটি)। প্রতি বছর নির্দিষ্ট সংখ্যক আন্তর্জাতিক আন্ডারগ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ ও গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ দেয় তারা।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
সম্পূর্ণ অর্থায়িত এ বৃত্তির আওতায় কোরিয়া অ্যাডভান্সড ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে ৪ বছরের ব্যাচেলর ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। পড়ালেখার সুযোগ রয়েছে ১৫ থেকে ২০টি কোর্সে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ করবে দক্ষিণ কোরিয়া। সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। জীবনযাত্রার ব্যয় ভাতা হিসেবে মাসে ৩ লাখ ৫০ হাজার উয়ন (৩১ হাজার ৭৭৫ টাকা) দেওয়া হবে এবং স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা রয়েছে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের অবশ্যই উচ্চমাধ্যমিক কিংবা ব্যাচেলরে উত্তীর্ণ হতে হবে। দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রার্থীরা আবেদনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
কলেজ অব ন্যাচারাল সায়েন্সেসের অধীনে পদার্থবিদ্যা, গাণিতিক বিজ্ঞান ও রসায়ন; কলেজ অব লাইফ সায়েন্স অ্যান্ড বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধীনে জৈবিক বিজ্ঞান; ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধীনে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স, সিভিল ও এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিংসহ আরও বেশ কিছু কোর্সে অধ্যয়ন করা যাবে।
আবেদনপত্র, একটি সুপারিশপত্র, পাসপোর্ট বা ন্যাশনাল আইডির কপি, ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষার রিপোর্ট, স্ট্যান্ডার্ডাইজড অফিশিয়াল টেস্ট স্কোর রিপোর্ট ও আর্থিক সম্পদের বিবৃতি লাগবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
আগ্রহী প্রার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়টির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের লিংকে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। ‘আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ’ এ আবেদন করা যায় বছরের তিনটি সময়ে। এগুলো হলো স্প্রিং এন্ট্রি (আগস্ট-সেপ্টেম্বর), আর্লি ট্রাক ফল এন্ট্রি (ডিসেম্বর) ও রেগুলার ফল এন্ট্রি (মার্চ)।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকার দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশকে (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান) স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
জ্যান নামের একজন শিক্ষার্থী বিডিজেনকে বলেন, বর্তমানে আমি নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছি। এখানে বিবিএ শেষ করে অস্ট্রেলিয়াতে এমবিএ করতে চাই। তবে এমবিএ করার ক্ষেত্রে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কি ধরনের স্কলারশিপ দিচ্ছে এসব তথ্য জানার জন্য এসেছি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ এসেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষভাবে প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিখ্যাত।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ‘কুইন এলিজাবেথ কমনওয়েলথ স্কলারশিপ’ এর আওতায় যুক্তরাজ্যে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে পাড়াশোনার সুযোগ।