
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন একটি ভবন ধসে জিদান (২২) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও দুজন। তারা পাকিস্তানি নাগরিক।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে দেশটির মেলাকা রাজ্যের বান্দা হিলিরের জালান বুকিত সেনজুয়াংয়ে এ ঘটনা ঘটে। খবর এএফপির।
মেলাকা সহকারি পুলিশ কমিশনার ক্রিস্টোফার প্যাটিট বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, ওই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকের দুর্ঘটনার সময় ২০-৪০ বছর বয়সী তিন শ্রমিক কংক্রিটের বাঁধন খোলার কাজ করছিলেন। হঠাৎ ভবনটি ধসে পড়লে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান বাংলাদেশি শ্রমিক জিদান। নিহত বাংলাদেশির মরদেহ ওই দিন রাত ১০টার দিকে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পাকিস্তানি দুই শ্রমিক জুবায়ের আহমেদকে (৩২) বিকেল সাড়ে ৬টা এবং আব্বাস গুলমকে (৪৯) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উদ্ধার করা হয়। বেঁচে যাওয়া দুই পাকিস্তানিকে সফলভাবে সরানো হলেও আঘাতের কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের মেলাকা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন একটি ভবন ধসে জিদান (২২) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও দুজন। তারা পাকিস্তানি নাগরিক।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে দেশটির মেলাকা রাজ্যের বান্দা হিলিরের জালান বুকিত সেনজুয়াংয়ে এ ঘটনা ঘটে। খবর এএফপির।
মেলাকা সহকারি পুলিশ কমিশনার ক্রিস্টোফার প্যাটিট বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, ওই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকের দুর্ঘটনার সময় ২০-৪০ বছর বয়সী তিন শ্রমিক কংক্রিটের বাঁধন খোলার কাজ করছিলেন। হঠাৎ ভবনটি ধসে পড়লে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান বাংলাদেশি শ্রমিক জিদান। নিহত বাংলাদেশির মরদেহ ওই দিন রাত ১০টার দিকে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পাকিস্তানি দুই শ্রমিক জুবায়ের আহমেদকে (৩২) বিকেল সাড়ে ৬টা এবং আব্বাস গুলমকে (৪৯) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উদ্ধার করা হয়। বেঁচে যাওয়া দুই পাকিস্তানিকে সফলভাবে সরানো হলেও আঘাতের কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের মেলাকা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার পুলিশ বলছে, লরি চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। লরিটির রোড ট্যাক্সের মেয়াদও পার হয়ে গিয়েছিল। তবে বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাজের বৈধ নথিপত্র ছিল। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশের কর্মকর্তা।
এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই আঞ্চলিক সরকারি কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, এই তালিকায় প্রায় ৫০০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও রয়েছে। ওই কর্মকর্তা ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘সশস্ত্র দাঙ্গাকারীদের’ এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী করেছেন।
শুক্রবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, যেসব দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমার অবাধ্য হবে, তাদের ওপর কঠোর বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। এবার সেটা বাস্তবায়নও করলেন।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।