
বিডিজেন ডেস্ক

ওমানের ৫৪তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আগামী ২০ ও ২১ নভেম্বর দেশটিতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ওমানের প্রধানমন্ত্রী সুলতান হাইথাম বিন তারিক এ নিয়ে এক রাজকীয় ফরমান (রয়্যাল ডিক্রি) জারি করেছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ওমানের প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, বেসরকারি সংস্থা এবং অন্যান্য আইনি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য এই ছুটি প্রযোজ্য হবে।
এদিকে ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি জানায়, নিয়োগকর্তারা চাইলে অনুমতি নিয়ে ছুটির দিনে কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। তবে এ জন্য কর্মীদেরকে তাদের কাজের জন্য যথাযথ প্রতিদান দিতে হবে।
জাতীয় চেতনাকে সম্মান জানিয়ে নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক উভয়ের জন্য নমনীয়তা নিশ্চিত করতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ওমান সরকার।

ওমানের ৫৪তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আগামী ২০ ও ২১ নভেম্বর দেশটিতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ওমানের প্রধানমন্ত্রী সুলতান হাইথাম বিন তারিক এ নিয়ে এক রাজকীয় ফরমান (রয়্যাল ডিক্রি) জারি করেছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ওমানের প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, বেসরকারি সংস্থা এবং অন্যান্য আইনি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য এই ছুটি প্রযোজ্য হবে।
এদিকে ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি জানায়, নিয়োগকর্তারা চাইলে অনুমতি নিয়ে ছুটির দিনে কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। তবে এ জন্য কর্মীদেরকে তাদের কাজের জন্য যথাযথ প্রতিদান দিতে হবে।
জাতীয় চেতনাকে সম্মান জানিয়ে নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক উভয়ের জন্য নমনীয়তা নিশ্চিত করতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ওমান সরকার।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।