বিডিজেন ডেস্ক
ঈদকে সামনে রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে সোনার গহনার চাহিদা বাড়বে বলে ধারনা করা হচ্ছে। কারণ শেয়ারবাজারের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে বিনিয়োগকারীরা আগামী দিনগুলোতে সোনার চাহিদা বাড়বে।
দুবাই-ভিত্তিক মূল্যবান ধাতুর খুচরা বিক্রির বিষয়ে বিশ্লেষক এপ্রিল লাভাইন বলছেন, “বিশ্বব্যাপী, স্বর্ণের দাম কমেছে। গত শুক্রবার প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ২৬৫০ মার্কিন ডলার। তবে আগামী দিনগুলোতে এর দাম বাড়বে।”
তাঁর কথায়, “স্বর্ণের দাম আরও চাপে পড়েছে। কারণ বিশ্বব্যাপী সুদের হার কমতে শুরু করেছে। যাই হোক, সোনার দাম যে কোনো পরিমাণে কমলে ক্রেতাদের জন্য এটা একটা ভালো সুযোগ। কারণ সোনা ও রূপার সামগ্রিকভাবে দাম বাড়বে।”
আবুধাবি-ভিত্তিক সোনার খুচরা বিক্রি বিষয়ক বিশ্লেষক জর্জিনা এফেলও পরামর্শ দিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম যাই হোক ক্রেতাদের কেনার কৌশল বজায় রাখা উচিত।
যদি মৌসুমী চাহিদা এবং স্থিতিশীল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে ভারসাম্য থাকে, তাহলে ঈদ পর্যন্ত সোনা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল বা এমনকি সস্তাও থাকতে পারে। যাই হোক, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, যেমন মুদ্রাস্ফীতি, সুদের হার, বা ভূ-রাজনৈতিক বিষয়গুলোর যে কোনো বড় পরিবর্তন এই দৃশ্যপটকে পাল্টে দিতে পারে। ছুটির আগ পর্যন্ত এদিকে নজর রাখা জরুরি।
ঈদকে সামনে রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে সোনার গহনার চাহিদা বাড়বে বলে ধারনা করা হচ্ছে। কারণ শেয়ারবাজারের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে বিনিয়োগকারীরা আগামী দিনগুলোতে সোনার চাহিদা বাড়বে।
দুবাই-ভিত্তিক মূল্যবান ধাতুর খুচরা বিক্রির বিষয়ে বিশ্লেষক এপ্রিল লাভাইন বলছেন, “বিশ্বব্যাপী, স্বর্ণের দাম কমেছে। গত শুক্রবার প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ২৬৫০ মার্কিন ডলার। তবে আগামী দিনগুলোতে এর দাম বাড়বে।”
তাঁর কথায়, “স্বর্ণের দাম আরও চাপে পড়েছে। কারণ বিশ্বব্যাপী সুদের হার কমতে শুরু করেছে। যাই হোক, সোনার দাম যে কোনো পরিমাণে কমলে ক্রেতাদের জন্য এটা একটা ভালো সুযোগ। কারণ সোনা ও রূপার সামগ্রিকভাবে দাম বাড়বে।”
আবুধাবি-ভিত্তিক সোনার খুচরা বিক্রি বিষয়ক বিশ্লেষক জর্জিনা এফেলও পরামর্শ দিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম যাই হোক ক্রেতাদের কেনার কৌশল বজায় রাখা উচিত।
যদি মৌসুমী চাহিদা এবং স্থিতিশীল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে ভারসাম্য থাকে, তাহলে ঈদ পর্যন্ত সোনা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল বা এমনকি সস্তাও থাকতে পারে। যাই হোক, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, যেমন মুদ্রাস্ফীতি, সুদের হার, বা ভূ-রাজনৈতিক বিষয়গুলোর যে কোনো বড় পরিবর্তন এই দৃশ্যপটকে পাল্টে দিতে পারে। ছুটির আগ পর্যন্ত এদিকে নজর রাখা জরুরি।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্য রপ্তানির ওপর যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন, তার জেরে সবচয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্ররাই।
ইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ-যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখন্ড গাজায় গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ভোরে নিহত হয়েছে আরও ৩৩ জন, আহত আরও শতাধিক। সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবার ভোরের হামলার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১১২ জন নিহত হয়েছে।
চার্টের শুল্ক নির্দেশক রেখাগুলো এক ধাক্কায় এতটা ওপরে উঠেছে, যা বিগত এক শতকের মধ্যে দেখা যায়নি। এমনকি এই রেখাগুলো গত শতকের ত্রিশের দশকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির উচ্চ সংরক্ষণবাদের সময়কেও ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানির ওপর উচ্চ হারে শুল্ক আরোপের যে ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিয়েছেন, তার বিরোধিতায় সোচ্চার হয়েছে চীন, জাপান, যুক্তরাজ্যসহ অনেকগুলো দেশ।