
বিডিজেন ডেস্ক

ফরাসি উপকূল থেকে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে একদিনে ছোট নৌকায় চেপে যুক্তরাজ্য পৌঁছেছেন ৬০০ জনেরও বেশি অভিবাসী। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এই অভিবাসীরা যুক্তরাজ্যে পৌঁছান বলে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, ওই দিন ১০টি নৌকায় করে ৬৪৭ জন অভিবাসী যুক্তরাজ্যের উপকূলে পৌঁছেছেন। এ নিয়ে চলতি বছর দেশটিতে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে আসা অভিবাসীর সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে।
ফরাসি কর্তৃপক্ষ ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় ফ্রান্সের পা-দ্যো-কালে অঞ্চলের ভিসঁ উপকূলে একটি শিশুর মৃত্যুর কথা জানানোর পরদিনই ৬০০ জনের বেশি অভিবাসী ব্রিটেনে পৌঁছান।
ওই শিশুর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে চলতি বছর ফ্রান্স থেকে ছোট নৌকায় ব্রিটেনে পাড়ি জমাতে গিয়ে মারা গেছেন ৫২ জন। অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা এনজিওগুলো বলছে, ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়া ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।
শরণার্থী কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী এনভার সলোমন বলেছেন, গত তিন বছরের তুলনায় এ বছর ইংলিশ চ্যানেলে অভিবাসীদের প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েছে।
তিনি বলেন, মৃত্যুর মিছিল আর ট্র্যাজেডি দেখিয়ে দিচ্ছে যে, আমাদের পদ্ধতি পুনর্বিবেচনা করা দরকার। কারণ এই অবস্থা চলতে থাকলে প্রাণহানি আরও বাড়তে থাকবে।
এদিকে, চ্যানেলে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকলেও অভিবাসীরা যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর চেষ্টা থেকে বিরত হচ্ছেন না। চলতি বছরের ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২৮ হাজার ২০৪ জন অভিবাসী যুক্তরাজ্যে পৌঁছছেন; যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অন্তত ৮ শতাংশ বেশি। তবে ২০২২ সালের তুলনায় ২৫ শতাংশ কম।
সূত্র: ইনফোমাইগ্রান্ট

ফরাসি উপকূল থেকে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে একদিনে ছোট নৌকায় চেপে যুক্তরাজ্য পৌঁছেছেন ৬০০ জনেরও বেশি অভিবাসী। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এই অভিবাসীরা যুক্তরাজ্যে পৌঁছান বলে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, ওই দিন ১০টি নৌকায় করে ৬৪৭ জন অভিবাসী যুক্তরাজ্যের উপকূলে পৌঁছেছেন। এ নিয়ে চলতি বছর দেশটিতে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে আসা অভিবাসীর সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে।
ফরাসি কর্তৃপক্ষ ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় ফ্রান্সের পা-দ্যো-কালে অঞ্চলের ভিসঁ উপকূলে একটি শিশুর মৃত্যুর কথা জানানোর পরদিনই ৬০০ জনের বেশি অভিবাসী ব্রিটেনে পৌঁছান।
ওই শিশুর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে চলতি বছর ফ্রান্স থেকে ছোট নৌকায় ব্রিটেনে পাড়ি জমাতে গিয়ে মারা গেছেন ৫২ জন। অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা এনজিওগুলো বলছে, ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়া ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।
শরণার্থী কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী এনভার সলোমন বলেছেন, গত তিন বছরের তুলনায় এ বছর ইংলিশ চ্যানেলে অভিবাসীদের প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েছে।
তিনি বলেন, মৃত্যুর মিছিল আর ট্র্যাজেডি দেখিয়ে দিচ্ছে যে, আমাদের পদ্ধতি পুনর্বিবেচনা করা দরকার। কারণ এই অবস্থা চলতে থাকলে প্রাণহানি আরও বাড়তে থাকবে।
এদিকে, চ্যানেলে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকলেও অভিবাসীরা যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর চেষ্টা থেকে বিরত হচ্ছেন না। চলতি বছরের ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২৮ হাজার ২০৪ জন অভিবাসী যুক্তরাজ্যে পৌঁছছেন; যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অন্তত ৮ শতাংশ বেশি। তবে ২০২২ সালের তুলনায় ২৫ শতাংশ কম।
সূত্র: ইনফোমাইগ্রান্ট
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
নতুন কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে যারা সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তারা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস আর কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
সোমবার আনুমানিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার সেবা এলাকায় অসুস্থ ওই প্রবাসী মারা যান।