
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের এক রাস্তায় পড়ে ছিল ১ লাখ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩ লাখ টাকা)। দিরহামের নোটগুলো পড়ে থাকতে দেখে তুলে নেন স্বদেশ কুমার নামের এক ভারতীয় প্রবাসী। তবে কুড়িয়ে পাওয়া এই অর্থ তিনি নিজের কাছে রেখে না দিয়ে জমা দিয়েছেন পুলিশের কাছে।
স্বদেশ কুমার দুবাইয়ের আল বারসা এলাকায় অর্থগুলো পান। এগুলো ফেরত দেওয়ায় তাঁকে পুরস্কৃত করেছে পুলিশ। এ ছাড়া, এই কাজের জন্য তাঁকে দেওয়া হয়েছে সততা ও দায়িত্বশীলতার সার্টিফিকেট।
বারসা পুলিশ স্টেশনের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ আল সুওয়াইদি বলেছেন, সাধারণ মানুষের এ ধরনের সততা তাদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হচ্ছে।
স্বদেশ কুমার জানিয়েছেন, প্রকৃত মালিক যেন অর্থগুলো পান সেজন্যই তিনি এগুলো পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। আর এ বিষয়টি তাঁর দায়িত্ব।
এর আগে এক মিসরীয় ট্যাক্সিচালক ১০ লাখ দিরহাম সমমূল্যের জিনিস ফেরত দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এক ব্যক্তি তাঁর ট্যাক্সিতে জিনিসগুলো ফেলে চলে গিয়েছিলেন। পরে চালক জিনিসগুলো পুলিশের কাছে নিয়ে যান।
সূত্র: খালিজ টাইমস

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের এক রাস্তায় পড়ে ছিল ১ লাখ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩ লাখ টাকা)। দিরহামের নোটগুলো পড়ে থাকতে দেখে তুলে নেন স্বদেশ কুমার নামের এক ভারতীয় প্রবাসী। তবে কুড়িয়ে পাওয়া এই অর্থ তিনি নিজের কাছে রেখে না দিয়ে জমা দিয়েছেন পুলিশের কাছে।
স্বদেশ কুমার দুবাইয়ের আল বারসা এলাকায় অর্থগুলো পান। এগুলো ফেরত দেওয়ায় তাঁকে পুরস্কৃত করেছে পুলিশ। এ ছাড়া, এই কাজের জন্য তাঁকে দেওয়া হয়েছে সততা ও দায়িত্বশীলতার সার্টিফিকেট।
বারসা পুলিশ স্টেশনের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ আল সুওয়াইদি বলেছেন, সাধারণ মানুষের এ ধরনের সততা তাদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হচ্ছে।
স্বদেশ কুমার জানিয়েছেন, প্রকৃত মালিক যেন অর্থগুলো পান সেজন্যই তিনি এগুলো পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। আর এ বিষয়টি তাঁর দায়িত্ব।
এর আগে এক মিসরীয় ট্যাক্সিচালক ১০ লাখ দিরহাম সমমূল্যের জিনিস ফেরত দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এক ব্যক্তি তাঁর ট্যাক্সিতে জিনিসগুলো ফেলে চলে গিয়েছিলেন। পরে চালক জিনিসগুলো পুলিশের কাছে নিয়ে যান।
সূত্র: খালিজ টাইমস
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
নতুন কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে যারা সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তারা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস আর কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
সোমবার আনুমানিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার সেবা এলাকায় অসুস্থ ওই প্রবাসী মারা যান।