
প্রতিবেদক, বিডিজেন

দেশের বাজারে সোনার দাম ক্রমাগত বাড়ছে। দেশের বাজারে সোনার দাম কেমন হবে, তা সম্পর্কে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস) বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়। চলতি বছর আন্তর্জাতিক বাজারসহ নানা বিষয় মাথায় রেখে বাজুস মোট ৩৮ বার সোনার দাম সমন্বয় করেছে। এর মধ্যে ২৪ বারই বেড়েছে দাম।
অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে সোনার দাম। তাই স্বাভাবিকভাবে বাজারে স্বর্ণের তৈরি বিভিন্ন গহনা–অলঙ্কারের বেচাবিক্রিও কমে গেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিগত এক বছর ধরে স্বর্ণের ব্যবসায় মন্দাভাব চলছে। দাম বাড়ার কারণে ক্রেতারা আগের মতো স্বর্ণ কিনতে পারছেন না।
ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, ইউক্রেন–রাশিয়া ও ইসরায়েল–ফিলিস্তিন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মানুষ সাধারণ বিনিয়োগের বদলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনাকে বেছে নেয়। ফলে চাহিদা যায় বেড়ে। আর এই বাড়তি চাহিদার কারণে সোনার দাম বেড়ে যাচ্ছে অস্বাভাবিক হারে। অবশ্য এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির পেছনে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি চীনের সোনা মজুতের প্রবণতাকেও দায়ী করছেন অনেকে।
ভিডিওতে দেখুন
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বেশি হওয়ায় গত এক বছরে বাজুস মোট ৩৮ বার দাম সমন্বয় করেছে। এর মধ্যে ২৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৯ সেপ্টেম্বর সোনার দামের সমন্বয় করা হয়। শুধু ওই মাসেই ৫ বার দাম সমন্বয় করা হয়, যার মধ্যে বেড়েছে ৪ বার। ওই চারবারে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিতে বেড়েছে ১০ হাজার ৭৬৬ টাকা। অথচ কমেছে মাত্র একবার। তাও ভরিতে মাত্র ১ হাজার ২৫৯ টাকা। বর্তমানে দেশের বাজারে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার ভরি বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা।
বাংলাদেশে স্বর্ণ আমদানির জন্য কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স পায়। তবে আমদানিতে কিছু জটিলতা হচ্ছে-এমন অভিযোগ এনে ওই ব্যবসায়ীরা আমদানি বন্ধ করে দেন। বর্তমানে কাস্টমস ব্যাগেজ রুলসের আওতায় কিছু সোনা আমদানি হচ্ছে। তবে দেশের বাজারে এখনো বেশির ভাগ স্বর্ণই আসছে অবৈধ পথে।
এদিকে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি সূত্রে জানা গেছে, সোনার দাম বাড়ার কারণে একদিকে বেচাবিক্রি কমে গেছে। অন্যদিকে মুনাফাও কমে গেছে। কারণ, স্বর্ণ ব্যবসায় বিনিয়োগ বেশি করতে হয়।
বাজুস সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ বছরের তুলনামূলক চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে– গত ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম ছিল ৫৮ হাজার ২৮ টাকা, ২০২০ সালে ৬৯ হাজার ৭৬৭ টাকা, ২০২১ সালে ৬৯ হাজার টাকা, ২০২২ সালে ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং গত ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২৪৩ টাকা। এ দাম এখ ১ লাখ ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে। ফলে নতুন কারও পক্ষে হুট করে সোনার ব্যবসায় আসা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, এতে বিপুল বিনিয়োগ লাগছে। আবার বৈধ পথে আনা স্বর্ণের ব্যবসায় জটিলতা বেশি থাকায়, অনেকে অবৈধ ও শর্টকাট পথে হাঁটা শুরু করে।

দেশের বাজারে সোনার দাম ক্রমাগত বাড়ছে। দেশের বাজারে সোনার দাম কেমন হবে, তা সম্পর্কে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস) বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়। চলতি বছর আন্তর্জাতিক বাজারসহ নানা বিষয় মাথায় রেখে বাজুস মোট ৩৮ বার সোনার দাম সমন্বয় করেছে। এর মধ্যে ২৪ বারই বেড়েছে দাম।
অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে সোনার দাম। তাই স্বাভাবিকভাবে বাজারে স্বর্ণের তৈরি বিভিন্ন গহনা–অলঙ্কারের বেচাবিক্রিও কমে গেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিগত এক বছর ধরে স্বর্ণের ব্যবসায় মন্দাভাব চলছে। দাম বাড়ার কারণে ক্রেতারা আগের মতো স্বর্ণ কিনতে পারছেন না।
ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, ইউক্রেন–রাশিয়া ও ইসরায়েল–ফিলিস্তিন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মানুষ সাধারণ বিনিয়োগের বদলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনাকে বেছে নেয়। ফলে চাহিদা যায় বেড়ে। আর এই বাড়তি চাহিদার কারণে সোনার দাম বেড়ে যাচ্ছে অস্বাভাবিক হারে। অবশ্য এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির পেছনে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি চীনের সোনা মজুতের প্রবণতাকেও দায়ী করছেন অনেকে।
ভিডিওতে দেখুন
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বেশি হওয়ায় গত এক বছরে বাজুস মোট ৩৮ বার দাম সমন্বয় করেছে। এর মধ্যে ২৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৯ সেপ্টেম্বর সোনার দামের সমন্বয় করা হয়। শুধু ওই মাসেই ৫ বার দাম সমন্বয় করা হয়, যার মধ্যে বেড়েছে ৪ বার। ওই চারবারে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিতে বেড়েছে ১০ হাজার ৭৬৬ টাকা। অথচ কমেছে মাত্র একবার। তাও ভরিতে মাত্র ১ হাজার ২৫৯ টাকা। বর্তমানে দেশের বাজারে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার ভরি বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা।
বাংলাদেশে স্বর্ণ আমদানির জন্য কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স পায়। তবে আমদানিতে কিছু জটিলতা হচ্ছে-এমন অভিযোগ এনে ওই ব্যবসায়ীরা আমদানি বন্ধ করে দেন। বর্তমানে কাস্টমস ব্যাগেজ রুলসের আওতায় কিছু সোনা আমদানি হচ্ছে। তবে দেশের বাজারে এখনো বেশির ভাগ স্বর্ণই আসছে অবৈধ পথে।
এদিকে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি সূত্রে জানা গেছে, সোনার দাম বাড়ার কারণে একদিকে বেচাবিক্রি কমে গেছে। অন্যদিকে মুনাফাও কমে গেছে। কারণ, স্বর্ণ ব্যবসায় বিনিয়োগ বেশি করতে হয়।
বাজুস সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ বছরের তুলনামূলক চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে– গত ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম ছিল ৫৮ হাজার ২৮ টাকা, ২০২০ সালে ৬৯ হাজার ৭৬৭ টাকা, ২০২১ সালে ৬৯ হাজার টাকা, ২০২২ সালে ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং গত ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২৪৩ টাকা। এ দাম এখ ১ লাখ ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে। ফলে নতুন কারও পক্ষে হুট করে সোনার ব্যবসায় আসা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, এতে বিপুল বিনিয়োগ লাগছে। আবার বৈধ পথে আনা স্বর্ণের ব্যবসায় জটিলতা বেশি থাকায়, অনেকে অবৈধ ও শর্টকাট পথে হাঁটা শুরু করে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমে হয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম কমে হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা।
নতুন দর অনুযায়ী, আজ বেলা ৩টা ৪৫ মিনিটে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমে হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম কমে হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা।
নতুন দর অনুযায়ী, আজ সকাল ১০টা থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমে হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা। ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৮ হাজার ৩১৯ টাকা।
আজ শনিবার (১৪ মার্চ) ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৮৩ টাকা দাম কমেছে। এতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা।