বিডিজেন ডেস্ক
সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসকে ধরা হয় স্বর্ণ কেনার জন্য সবচেয়ে ভালো মাস হিসেবে। বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রে এই মাসে সোনার দাম তুলনামূলক কম থাকে। ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই সময়ে সোনায় বিনিয়োগের প্রবণতা বেশি দেখা যায়।
পণ্যবাজারভিত্তিক ওয়েবসাইট মার্কেটওয়াচের তথ্যমতে, সাধারণত প্রতি বছর আগস্টের শেষ থেকে পুরো সেপ্টেম্বরজুড়েই আমদানিকারকেরা সোনা কেনে। এর একাধিক কারণ রয়েছে।
গত ২০ বছরের তথ্য তুলে ধরে ওয়েবসাইটটি জানায়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সোনা আদানিকারক ভারত। এর পরের স্থানটিই চীনের দখলে। এই দুই দেশই মুখ্যত সোনার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে।
ভারতে আশ্বিন মাস থেকে উৎসব ও বিয়ের মৌসুম শুরু হয়। চলে পুরো শীত। এই উৎসবের সময়টাতে প্রিয়জনকে সোনার গয়না উপহার দেওয়াটা রেওয়াজ। আবার চীনের নববর্ষ উদযাপিত হয় জানুয়ারির শেষ ও ফেব্রুয়ারির মধ্যভাগের মধ্যে। এ্টি পুরনো সময়টা দেশটিতে সোনার চাহিদা থাকে উচ্চ। এমনকি এই সময়ে সোনা আমদানিতে দেশটি ভারতকেও ছাড়িয়ে যায়।
এই প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীরা সোনা কিনতে শুরু করেন আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের সময় থেকেই। কারণ, এতে করে তাঁরা উচ্চ চাহিদার সময়টাতে উচ্চ দামে সোনা বেচতে পারবেন।
ফলে কেউ সোনা কিনে ব্যবসা করতে চাইলে এই সময়টাকেই লক্ষ্যবস্তু করতে পারেন। তবে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য হলে অক্টোবর-জানুয়ারি মৌসুম এড়ানোই ভালো। কারণ, ব্যবসায়ীদের জন্য এই সময়টা ভালো মানে, দাম বাড়তির দিকে। তাই নিজের ব্যবহারের জন্য কিনতে চাইলে এই সময়টা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কারণ, ভারত ও চীনের উৎসবের মৌসুমে সোনার যে চাহিদা দাঁড়ায়, তার প্রভাব গোটা বিশ্বেই পড়ে।
সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসকে ধরা হয় স্বর্ণ কেনার জন্য সবচেয়ে ভালো মাস হিসেবে। বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রে এই মাসে সোনার দাম তুলনামূলক কম থাকে। ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই সময়ে সোনায় বিনিয়োগের প্রবণতা বেশি দেখা যায়।
পণ্যবাজারভিত্তিক ওয়েবসাইট মার্কেটওয়াচের তথ্যমতে, সাধারণত প্রতি বছর আগস্টের শেষ থেকে পুরো সেপ্টেম্বরজুড়েই আমদানিকারকেরা সোনা কেনে। এর একাধিক কারণ রয়েছে।
গত ২০ বছরের তথ্য তুলে ধরে ওয়েবসাইটটি জানায়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সোনা আদানিকারক ভারত। এর পরের স্থানটিই চীনের দখলে। এই দুই দেশই মুখ্যত সোনার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে।
ভারতে আশ্বিন মাস থেকে উৎসব ও বিয়ের মৌসুম শুরু হয়। চলে পুরো শীত। এই উৎসবের সময়টাতে প্রিয়জনকে সোনার গয়না উপহার দেওয়াটা রেওয়াজ। আবার চীনের নববর্ষ উদযাপিত হয় জানুয়ারির শেষ ও ফেব্রুয়ারির মধ্যভাগের মধ্যে। এ্টি পুরনো সময়টা দেশটিতে সোনার চাহিদা থাকে উচ্চ। এমনকি এই সময়ে সোনা আমদানিতে দেশটি ভারতকেও ছাড়িয়ে যায়।
এই প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীরা সোনা কিনতে শুরু করেন আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের সময় থেকেই। কারণ, এতে করে তাঁরা উচ্চ চাহিদার সময়টাতে উচ্চ দামে সোনা বেচতে পারবেন।
ফলে কেউ সোনা কিনে ব্যবসা করতে চাইলে এই সময়টাকেই লক্ষ্যবস্তু করতে পারেন। তবে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য হলে অক্টোবর-জানুয়ারি মৌসুম এড়ানোই ভালো। কারণ, ব্যবসায়ীদের জন্য এই সময়টা ভালো মানে, দাম বাড়তির দিকে। তাই নিজের ব্যবহারের জন্য কিনতে চাইলে এই সময়টা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কারণ, ভারত ও চীনের উৎসবের মৌসুমে সোনার যে চাহিদা দাঁড়ায়, তার প্রভাব গোটা বিশ্বেই পড়ে।
বাংলাদেশে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস। আজ দেশের মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম কিছুটা কমেছে। টানা ৬ দিন দাম বাড়ার পর আজ ডলারের দাম কমল।
বাংলাদেশে আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) চলতি সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস। দেশের মুদ্রাবাজারে আজ ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে। এ নিয়ে গত সপ্তাহের শেষ ২ দিনসহ টানা ৬ দিন ডলারের দাম বাড়ল।
বাংলাদেশে আজ মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) চলতি সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস। দেশের মুদ্রাবাজারে আজও ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে। এ নিয়ে গত সপ্তাহের শেষ ২ দিনসহ টানা ৫ দিন ডলারের দাম বাড়ল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, আজ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ডলারের সর্বোচ্চ দাম ১২১ টাকা ৬৫ পয়সা ও সর্বনিম্ন ১২১ টাকা ৫০ পয়সা। আজ ডলারের গড় দাম ১২১ টাকা ৫৬ পয়সা।