
মঞ্জুর চৌধুরী

ব্রাজিলিয়ানদের সাথে বসে ব্রাজিলের খেলা দেখার মজা আছে। অনেক বিখ্যাত খেলোয়াড়দের সাথে সামনাসামনি দেখা হলো। টিভিতে যেমন দেখি, সামনাসামনি ওদের চেহারায় অনেক তফাৎ।
যেমন ভিনি জুনিয়রকে টিভিতে অনেক কালো দেখায়। সামনাসামনি বেশ ফর্সা। কারণ জিজ্ঞেস করতেই বলল ও প্রতিদিন ফেয়ার এন্ড লাভলি মাখে। এতে ত্বকের মেলানিন রোধ হয়, মাত্র ছয় থেকে আট সপ্তাহে ত্বক হয় ফর্সা, উজ্জ্বল, ঠিক মৌসুমীর মতোন।

তারপরে নেইমারের সাথেও দেখা হলো। পুরাই বাচ্চা ছেলে, বুঝলাম, ইনজুরির কারণে বেচারা শুকিয়ে একদম ছোট্ট হয়ে গেছে। বেশি বেশি করে ভাত খেতে বললাম। সকালে ভিজা ছোলাও খেতে পরামর্শ দিলাম। এতে স্ট্যামিনা বাড়বে।
কিছু দূরে কাকার সাক্ষাৎ পেলাম। খেলা ছাড়ার পর বেশ মুটিয়ে গেছেন। কিন্তু শুনেছিলাম ওর বিবির সাথে তালাক হয়ে গেছে। তাহলে বাড়িতে ভাত রান্ধে কে? না খেতে পেয়ে শুকিয়ে যাওয়ার কথা, উল্টা মুটিয়ে গেছে।

এক চিপায় রোনালদো বসে বসে খেলা দেখছিলেন। বিগ ফ্যান! বিশ্বাসই করতে পারছি না এই লোকটাই ব্রাজিলকে ২০০২ বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিল। আগে টাকমাথা ছিল, এখন দেখি ঘন চুল। খেলা ছাড়ার পরে হয়তো বেচারা চুল শেভ করবে সেই ব্লেড কেনারও পয়সা নাই। আহারে! যে জাতি নিজের হিরোদের ঠিকঠাক সম্মান করে না, সেই জাতি কীভাবে উন্নতি করবে?
সবশেষে দেখা পেলাম রোমারিওর।
বুড়িয়ে গেছেন বেচারা। দেখলে কে বলবে ৯৪ বিশ্বকাপ এই লোকটির অবদান? রোনালদোর পাশে বসে হয়তো অতীতের স্মৃতি রোমন্থন করছিলেন।

ভালো কথা, টিভিতে শাকিলা জাফরের গান আর নাচানাচিও দেখলাম। ভদ্রমহিলাকে অনেক দিন পরে টিভিতে দেখলাম। বয়স হয়েছে, চুল পেকে সোনালি হয়ে গেছে। কিন্তু সতর ঢাকার বদলে দেখলাম বেশ খোলামেলা হয়ে নাচানাচি করতে লাগলেন। বয়স হয়েছে, এক পা কবরে চলে গেছে, এই বয়সে এইসব কী? চোখ সরায়ে নিলাম।

আর মাইক্রোফোনের সমস্যার কারণে তার গানের একটা শব্দও বুঝলাম না। চিন্তা করতে পারেন, বাংলা আমার মাতৃভাষা, ভদ্রমহিলা কি গাইলেন সেটা বুঝতে পারলাম না। বিদেশিরা বুঝবেন কি?
লেখক: আমেরিকাপ্রবাসী

ব্রাজিলিয়ানদের সাথে বসে ব্রাজিলের খেলা দেখার মজা আছে। অনেক বিখ্যাত খেলোয়াড়দের সাথে সামনাসামনি দেখা হলো। টিভিতে যেমন দেখি, সামনাসামনি ওদের চেহারায় অনেক তফাৎ।
যেমন ভিনি জুনিয়রকে টিভিতে অনেক কালো দেখায়। সামনাসামনি বেশ ফর্সা। কারণ জিজ্ঞেস করতেই বলল ও প্রতিদিন ফেয়ার এন্ড লাভলি মাখে। এতে ত্বকের মেলানিন রোধ হয়, মাত্র ছয় থেকে আট সপ্তাহে ত্বক হয় ফর্সা, উজ্জ্বল, ঠিক মৌসুমীর মতোন।

তারপরে নেইমারের সাথেও দেখা হলো। পুরাই বাচ্চা ছেলে, বুঝলাম, ইনজুরির কারণে বেচারা শুকিয়ে একদম ছোট্ট হয়ে গেছে। বেশি বেশি করে ভাত খেতে বললাম। সকালে ভিজা ছোলাও খেতে পরামর্শ দিলাম। এতে স্ট্যামিনা বাড়বে।
কিছু দূরে কাকার সাক্ষাৎ পেলাম। খেলা ছাড়ার পর বেশ মুটিয়ে গেছেন। কিন্তু শুনেছিলাম ওর বিবির সাথে তালাক হয়ে গেছে। তাহলে বাড়িতে ভাত রান্ধে কে? না খেতে পেয়ে শুকিয়ে যাওয়ার কথা, উল্টা মুটিয়ে গেছে।

এক চিপায় রোনালদো বসে বসে খেলা দেখছিলেন। বিগ ফ্যান! বিশ্বাসই করতে পারছি না এই লোকটাই ব্রাজিলকে ২০০২ বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিল। আগে টাকমাথা ছিল, এখন দেখি ঘন চুল। খেলা ছাড়ার পরে হয়তো বেচারা চুল শেভ করবে সেই ব্লেড কেনারও পয়সা নাই। আহারে! যে জাতি নিজের হিরোদের ঠিকঠাক সম্মান করে না, সেই জাতি কীভাবে উন্নতি করবে?
সবশেষে দেখা পেলাম রোমারিওর।
বুড়িয়ে গেছেন বেচারা। দেখলে কে বলবে ৯৪ বিশ্বকাপ এই লোকটির অবদান? রোনালদোর পাশে বসে হয়তো অতীতের স্মৃতি রোমন্থন করছিলেন।

ভালো কথা, টিভিতে শাকিলা জাফরের গান আর নাচানাচিও দেখলাম। ভদ্রমহিলাকে অনেক দিন পরে টিভিতে দেখলাম। বয়স হয়েছে, চুল পেকে সোনালি হয়ে গেছে। কিন্তু সতর ঢাকার বদলে দেখলাম বেশ খোলামেলা হয়ে নাচানাচি করতে লাগলেন। বয়স হয়েছে, এক পা কবরে চলে গেছে, এই বয়সে এইসব কী? চোখ সরায়ে নিলাম।

আর মাইক্রোফোনের সমস্যার কারণে তার গানের একটা শব্দও বুঝলাম না। চিন্তা করতে পারেন, বাংলা আমার মাতৃভাষা, ভদ্রমহিলা কি গাইলেন সেটা বুঝতে পারলাম না। বিদেশিরা বুঝবেন কি?
লেখক: আমেরিকাপ্রবাসী
প্রবাসজীবনের প্রথম দিকের সংগ্রাম তাকে শিখিয়েছে ধৈর্য, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এবং শৃঙ্খলার গুরুত্ব, যা পরবর্তী সময়ে তার নেতৃত্বের মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।
ইতিহাস বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো সংকটই একটি চুক্তির মাধ্যমে স্থায়ীভাবে শেষ হয়নি। বর্তমান সমঝোতাও তার ব্যতিক্রম হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—এই যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি আগের অবস্থায় আর ফিরবে না।
এক চিপায় রোনালদো বসে বসে খেলা দেখছিলেন। বিগ ফ্যান! বিশ্বাসই করতে পারছি না এই লোকটাই ব্রাজিলকে ২০০২ বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিল।
চর সিঙ্গুইর গ্রামে পৌঁছে নামের সঙ্গে গ্রামের পরিবেশের এক অদ্ভুত মিল খুঁজে পেলাম। যে বাড়িতে আমরা পৌঁছালাম, তার ঠিক পেছনেই বিশাল জলাভূমি। কচুরিপানায় ভরা সেই জলরাশি দেখতে যেন এক জীবন্ত চিত্রকর্ম। কয়েকজন কিশোর জাল ফেলে মাছ ধরার চেষ্টা করছে। তাদের হাসি আর চিৎকারে চারপাশ মুখরিত।