
প্রতিবেদক, বিডিজেন

এবারের ঈদুল আজহায় মুক্তি পেয়েছে শাকিব খান অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত ছবি তাণ্ডব। তবে সিনেমা হলে তাণ্ডব চললেও বরাবরের মতো শাকিব খান এই ঈদেও পরিবারের সঙ্গে ছিলেন। চলচ্চিত্রের আলো-ঝলমলের বাইরে একান্ত সময় কাটিয়েছেন প্রিয়জনদের সঙ্গে।
ঈদের ছুটিতে ছেলেকে নিয়ে শহরের একটি বিপণিবিতানে কেনাকাটায় বের হয়েছিলেন শাকিব খান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে আব্রাহাম খান জয় এবং চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। হঠাৎ করেই ঢাকার একটি সড়কে গাড়িতে ওঠার মুহূর্তে তাদের ৩ জনকে একসঙ্গে দেখা যায়। এই দৃশ্য কারও কারও নজর পড়ে এবং তারা কেউ কেউ ভিডিও করেন। মুহূর্তেই সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ভিডিওতে দেখা যায়, শাকিব, অপু ও জয় একই ধরনের মাস্ক পরে গাড়িতে উঠছেন। সামনের আসনে বসেন শাকিব ও তাঁর ছেলে, পেছনে জায়গা বসেন অপু বিশ্বাস। আব্রাহামের হাতে ধরা একটি ছোট ব্যাগ যেন এই পারিবারিক মুহূর্তকে আরও নিখুঁতভাবে তুলে ধরে। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কিছু ভক্ত এই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করলেও তারা দ্রুত গাড়ি চালিয়ে সরে যান। এ যেন বাস্তব জীবনের হঠাৎ ধরা পড়া এক টুকরো সিনেমা!

যদিও এ দৃশ্যের পেছনে রয়েছে নিছক পারিবারিক প্রয়োজন। জয়কে নিয়ে কেনাকাটা। তবুও তাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়া নতুন করে গুঞ্জন তুলেছে ভক্তমহলে। অনেকেই প্রশ্ন করছেন-শাকিব ও অপু কি আবার কাছাকাছি আসছেন?
ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, শাকিবের পরিবারের সঙ্গে অপু বিশ্বাসের সম্পর্ক বর্তমানে বেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ। বিশেষ করে শাকিবের মা, বাবা ও বোনদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। শাকিব নিজে অপুর বাসায় না গেলেও অপু বিশ্বাস মাঝেমধ্যে যান শাকিবের বাড়িতে, ছেলের প্রয়োজনে। তাদের সম্পর্কের এই স্থিতি সামাজিকভাবে ইতিবাচক বলেই মনে করছেন অনেকে।
তবে এইসব গুঞ্জনের মাঝে শাকিব খান নিজেই এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করেছিলেন তাঁর অবস্থান। ‘আমি যেমন আব্রাহাম ও শেহজাদের বাবা, তেমনি অপু-বুবলীও তাঁদের মা। সন্তানের প্রয়োজনেই আমাদের দেখা হয়, কথা হয়। কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গায় অপু ও বুবলী দুজনেই এখন আমার অতীত। তাদের সঙ্গে কোনো পুনর্মিলনের সম্ভাবনা নেই;, বলেছিলেন শাকিব খান।
তবে অতীতের সম্পর্ক ‘অতীত’ হয়ে গেলেও সন্তানের ভালোর জন্য যে বন্ধন বজায় রাখা জরুরি, সেটিই যেন এই দৃশ্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। শাকিব-অপুর পুরোনো গল্পের ভেতর থেকেও উঠে এলো এক নতুন বাস্তবতা।সন্তানই এখন তাঁদের সবচেয়ে বড় সংযোগ।
আর ঠিক এই মানবিকতার জায়গাটিই হয়তো আজ ভক্তদের আবার ভাবিয়ে তুলছে। পর্দার নায়ক বাস্তব জীবনেও কখনও কখনও এক অন্যরকম গল্পের চরিত্র হয়ে ওঠেন।

এবারের ঈদুল আজহায় মুক্তি পেয়েছে শাকিব খান অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত ছবি তাণ্ডব। তবে সিনেমা হলে তাণ্ডব চললেও বরাবরের মতো শাকিব খান এই ঈদেও পরিবারের সঙ্গে ছিলেন। চলচ্চিত্রের আলো-ঝলমলের বাইরে একান্ত সময় কাটিয়েছেন প্রিয়জনদের সঙ্গে।
ঈদের ছুটিতে ছেলেকে নিয়ে শহরের একটি বিপণিবিতানে কেনাকাটায় বের হয়েছিলেন শাকিব খান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে আব্রাহাম খান জয় এবং চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। হঠাৎ করেই ঢাকার একটি সড়কে গাড়িতে ওঠার মুহূর্তে তাদের ৩ জনকে একসঙ্গে দেখা যায়। এই দৃশ্য কারও কারও নজর পড়ে এবং তারা কেউ কেউ ভিডিও করেন। মুহূর্তেই সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ভিডিওতে দেখা যায়, শাকিব, অপু ও জয় একই ধরনের মাস্ক পরে গাড়িতে উঠছেন। সামনের আসনে বসেন শাকিব ও তাঁর ছেলে, পেছনে জায়গা বসেন অপু বিশ্বাস। আব্রাহামের হাতে ধরা একটি ছোট ব্যাগ যেন এই পারিবারিক মুহূর্তকে আরও নিখুঁতভাবে তুলে ধরে। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কিছু ভক্ত এই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করলেও তারা দ্রুত গাড়ি চালিয়ে সরে যান। এ যেন বাস্তব জীবনের হঠাৎ ধরা পড়া এক টুকরো সিনেমা!

যদিও এ দৃশ্যের পেছনে রয়েছে নিছক পারিবারিক প্রয়োজন। জয়কে নিয়ে কেনাকাটা। তবুও তাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়া নতুন করে গুঞ্জন তুলেছে ভক্তমহলে। অনেকেই প্রশ্ন করছেন-শাকিব ও অপু কি আবার কাছাকাছি আসছেন?
ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, শাকিবের পরিবারের সঙ্গে অপু বিশ্বাসের সম্পর্ক বর্তমানে বেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ। বিশেষ করে শাকিবের মা, বাবা ও বোনদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। শাকিব নিজে অপুর বাসায় না গেলেও অপু বিশ্বাস মাঝেমধ্যে যান শাকিবের বাড়িতে, ছেলের প্রয়োজনে। তাদের সম্পর্কের এই স্থিতি সামাজিকভাবে ইতিবাচক বলেই মনে করছেন অনেকে।
তবে এইসব গুঞ্জনের মাঝে শাকিব খান নিজেই এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করেছিলেন তাঁর অবস্থান। ‘আমি যেমন আব্রাহাম ও শেহজাদের বাবা, তেমনি অপু-বুবলীও তাঁদের মা। সন্তানের প্রয়োজনেই আমাদের দেখা হয়, কথা হয়। কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গায় অপু ও বুবলী দুজনেই এখন আমার অতীত। তাদের সঙ্গে কোনো পুনর্মিলনের সম্ভাবনা নেই;, বলেছিলেন শাকিব খান।
তবে অতীতের সম্পর্ক ‘অতীত’ হয়ে গেলেও সন্তানের ভালোর জন্য যে বন্ধন বজায় রাখা জরুরি, সেটিই যেন এই দৃশ্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। শাকিব-অপুর পুরোনো গল্পের ভেতর থেকেও উঠে এলো এক নতুন বাস্তবতা।সন্তানই এখন তাঁদের সবচেয়ে বড় সংযোগ।
আর ঠিক এই মানবিকতার জায়গাটিই হয়তো আজ ভক্তদের আবার ভাবিয়ে তুলছে। পর্দার নায়ক বাস্তব জীবনেও কখনও কখনও এক অন্যরকম গল্পের চরিত্র হয়ে ওঠেন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।