

বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় চাঁদপুর সদর উপজেলার মো. বাবলু ভূঁইয়া (২১) নামে এক প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় রাত পৌনে ৯টার দিকে দেশটির রাজধানী রিয়াদের আল আরিথ এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
বাবলু ভূঁইয়া সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড পূর্ব লোদের গাঁওয়ের মৃত আবুল কালাম ভূঁইয়ার ছেলে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে নিহতের সহকর্মী ও পাশের বাড়ির মিন্টু হাজীর ছেলে আব্দুর রহমান হৃদয় দুর্ঘটনাটির সম্পর্কে তার পরিবারকে জানান।
নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, পরিবারের স্বচ্ছলতা ও নিজের ভাগ্যোন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে ২০২৪ সালে বাবলু সৌদি আরবের রিয়াদ নগরীতে যান। তিনি সৌদি আরবে ফুড ডেলিভারির কাজ করতেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার রাতে রিয়াদ শহরের আল আরিথ দিয়ে মোটরসাইকেলে চড়ে ফুড ডেলিভারি দিতে যাওয়ার পথে পেছন থেকে আসা দ্রুত গতির একটি প্রাইভেটকার বাবলুকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত চলে যায়। এতে তার মাথা থেঁতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে গ্রাহক বাবলুকে ফোন দিয়েও সাড়া না পেয়ে কোম্পানির কাছে অভিযোগ করেন।
কোম্পানির লোকজন ও অন্য কর্মীরাও বাবলুর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে মোবাইল বন্ধ পায়। এমন সময়ে এক পাকিস্তানি প্রবাসী দুর্ঘটনার বিষয়টি তাদেরকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবলুর ব্যবহৃত মোটরসাইকেল দেখে পুলিশকে জিজ্ঞাসা করলে তারা হাসপাতালে যোগাযোগ করার কথা বলেন। পরে একটি হাসপাতালে গিয়ে তারা বাবলুর মরদেহ শনাক্ত করেন।
বাবলুর সহকর্মী ও বন্ধুরা তার পরিবারে এ খবর জানালে তার পরিবারে চলতে থাকে শোকের মাতম।

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় চাঁদপুর সদর উপজেলার মো. বাবলু ভূঁইয়া (২১) নামে এক প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় রাত পৌনে ৯টার দিকে দেশটির রাজধানী রিয়াদের আল আরিথ এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
বাবলু ভূঁইয়া সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড পূর্ব লোদের গাঁওয়ের মৃত আবুল কালাম ভূঁইয়ার ছেলে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে নিহতের সহকর্মী ও পাশের বাড়ির মিন্টু হাজীর ছেলে আব্দুর রহমান হৃদয় দুর্ঘটনাটির সম্পর্কে তার পরিবারকে জানান।
নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, পরিবারের স্বচ্ছলতা ও নিজের ভাগ্যোন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে ২০২৪ সালে বাবলু সৌদি আরবের রিয়াদ নগরীতে যান। তিনি সৌদি আরবে ফুড ডেলিভারির কাজ করতেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার রাতে রিয়াদ শহরের আল আরিথ দিয়ে মোটরসাইকেলে চড়ে ফুড ডেলিভারি দিতে যাওয়ার পথে পেছন থেকে আসা দ্রুত গতির একটি প্রাইভেটকার বাবলুকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত চলে যায়। এতে তার মাথা থেঁতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে গ্রাহক বাবলুকে ফোন দিয়েও সাড়া না পেয়ে কোম্পানির কাছে অভিযোগ করেন।
কোম্পানির লোকজন ও অন্য কর্মীরাও বাবলুর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে মোবাইল বন্ধ পায়। এমন সময়ে এক পাকিস্তানি প্রবাসী দুর্ঘটনার বিষয়টি তাদেরকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবলুর ব্যবহৃত মোটরসাইকেল দেখে পুলিশকে জিজ্ঞাসা করলে তারা হাসপাতালে যোগাযোগ করার কথা বলেন। পরে একটি হাসপাতালে গিয়ে তারা বাবলুর মরদেহ শনাক্ত করেন।
বাবলুর সহকর্মী ও বন্ধুরা তার পরিবারে এ খবর জানালে তার পরিবারে চলতে থাকে শোকের মাতম।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএমইটির এক সহকারী পরিচালক নাম প্রকাশ না করে বলেন, আমরা সব অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করি। তাই এই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত হওয়ার পর দুই পক্ষের শুনানির মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ার দেওয়া ১০টি শর্তের মধ্যে ৭টা পূরণ করেছে ২৬০ টি এজেন্সি এবং ৬টি পূরণ করেছে ১৬৩টি এজেন্সি। এই তালিকার মধ্যে থেকে মালয়েশিয়া যাদের কাজের সুযোগ দেবে তারাই কর্মী পাঠাতে পারবে।