
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের দ্য লন্ডন ক্লিনিক নামের হাসপাতালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁর রক্ত ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হয়েছে।
হাসপাতালের অধ্যাপক জন প্যাট্রিক কেনেডির অধীনে লিভার, কিডনি ও হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের প্রাথমিক কিছু পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করেছেন।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডন যাওয়া তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সেখানকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বেশ কিছু পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। সে অনুযায়ী পরীক্ষাগুলো করা হচ্ছে। এসব পরীক্ষার রিপোর্টের ওপর নির্ভর করে তাঁর পরবর্তী চিকিৎসায় করণীয় ঠিক করা হবে।
৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, কিডনি সমস্যা, হৃদ্রোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন গেছেন। কাতারের আমিরের পাঠানো বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা থেকে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালেদা জিয়াকে নিজে গাড়ি চালিয়ে সরাসরি দ্য লন্ডন ক্লিনিকে নিয়ে যান তারেক রহমান। সেখানে তাঁকে ভর্তি করা হয়।
ভর্তির পরই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শুরু হয়। বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা তাঁকে দেখেছেন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের দ্য লন্ডন ক্লিনিক নামের হাসপাতালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁর রক্ত ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হয়েছে।
হাসপাতালের অধ্যাপক জন প্যাট্রিক কেনেডির অধীনে লিভার, কিডনি ও হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের প্রাথমিক কিছু পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করেছেন।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডন যাওয়া তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সেখানকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বেশ কিছু পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। সে অনুযায়ী পরীক্ষাগুলো করা হচ্ছে। এসব পরীক্ষার রিপোর্টের ওপর নির্ভর করে তাঁর পরবর্তী চিকিৎসায় করণীয় ঠিক করা হবে।
৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, কিডনি সমস্যা, হৃদ্রোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন গেছেন। কাতারের আমিরের পাঠানো বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা থেকে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালেদা জিয়াকে নিজে গাড়ি চালিয়ে সরাসরি দ্য লন্ডন ক্লিনিকে নিয়ে যান তারেক রহমান। সেখানে তাঁকে ভর্তি করা হয়।
ভর্তির পরই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শুরু হয়। বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা তাঁকে দেখেছেন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন
ঢাকা থেকে লেখা ওই বিশ্লেষণে আল জারিরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূসের দায়িত্ব নেওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলছে, ইউনূস কি একজন দক্ষ পরিচালক ছিলেন যিনি একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করেছেন, নাকি তিনি ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রত্যাশিত কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছেন?
ইসি বার্তায় বলা হয়েছে, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টাল ভোটের ফলাফল সংক্রান্ত নানা ধরনের বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচারের প্রসঙ্গে জানানো যাচ্ছে, পোস্টাল ব্যালট পেপার নির্বাচনের দিন বিকেল সাড়ে ৪ টার পরে নিয়মিত ভোট গণনার সময় একই সঙ্গে গণনা করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ পর্যন্ত ৫ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪১৬ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন। এ ছাড়া, ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫২ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগে জমা দিয়েছেন।
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।

ঢাকা থেকে লেখা ওই বিশ্লেষণে আল জারিরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূসের দায়িত্ব নেওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলছে, ইউনূস কি একজন দক্ষ পরিচালক ছিলেন যিনি একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করেছেন, নাকি তিনি ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রত্যাশিত কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছেন?
১ ঘণ্টা আগে