
বিডিজেন ডেস্ক

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের তাবলিগ মারকাজে সহাবস্থান বজায় রাখতে মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের ও মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এতে একপক্ষকে অন্যপক্ষের মারকাজে কোনো ধরনের বাধা কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতেও অনুরোধ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানী ঢাকার কাকরাইল মসজিদের ক্ষেত্রে এর আগে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেটি অনুসরণ করতে হবে।
গাজীপুরের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দান মাঠ দখল নিয়ে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাতে তাবলিগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ৪ জনের প্রাণহানি ঘটে।
পরে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ইজতেমা ময়দান খালি করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ ছাড়া, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করে পুলিশ।
ইজতেমা ময়দান ঘিরে জারি করা সেই নিষেধাজ্ঞা বৃহস্পতিবার প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার নাজমুল করিম খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গাজীপুর মহানগর পুলিশ আইনের ক্ষমতাবলে ১৮ ডিসেম্বর দুপুর ২টা থেকে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে জারি করা আদেশগুলো বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে প্রত্যাহার করা হলো।
টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সংঘর্ষ, ৪ জন নিহত
২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর মধ্যরাতে ইজতেমার মাঠ দখল নিয়ে মাওলানা সাদ কান্ধলভী ও মাওলানা জুবায়ের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে ৪ জন নিহত ও শতাধিক লোক আহত হয়।
এ ঘটনায় ১৮ ডিসেম্বর দুপুর থেকে ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের ৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় সাদ ও জুবায়ের অনুসারীদের সঙ্গে ১৮ ডিসেম্বর (বুধবার) বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, ৩১ জানুয়ারি টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। এ পর্বে অংশ নেবেন মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা। দ্বিতীয় পর্বে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে তিন দিনের বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের।
আরও পড়ুন

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের তাবলিগ মারকাজে সহাবস্থান বজায় রাখতে মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের ও মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এতে একপক্ষকে অন্যপক্ষের মারকাজে কোনো ধরনের বাধা কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতেও অনুরোধ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানী ঢাকার কাকরাইল মসজিদের ক্ষেত্রে এর আগে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেটি অনুসরণ করতে হবে।
গাজীপুরের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দান মাঠ দখল নিয়ে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাতে তাবলিগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ৪ জনের প্রাণহানি ঘটে।
পরে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ইজতেমা ময়দান খালি করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ ছাড়া, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করে পুলিশ।
ইজতেমা ময়দান ঘিরে জারি করা সেই নিষেধাজ্ঞা বৃহস্পতিবার প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার নাজমুল করিম খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গাজীপুর মহানগর পুলিশ আইনের ক্ষমতাবলে ১৮ ডিসেম্বর দুপুর ২টা থেকে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে জারি করা আদেশগুলো বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে প্রত্যাহার করা হলো।
টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সংঘর্ষ, ৪ জন নিহত
২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর মধ্যরাতে ইজতেমার মাঠ দখল নিয়ে মাওলানা সাদ কান্ধলভী ও মাওলানা জুবায়ের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে ৪ জন নিহত ও শতাধিক লোক আহত হয়।
এ ঘটনায় ১৮ ডিসেম্বর দুপুর থেকে ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের ৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় সাদ ও জুবায়ের অনুসারীদের সঙ্গে ১৮ ডিসেম্বর (বুধবার) বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, ৩১ জানুয়ারি টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। এ পর্বে অংশ নেবেন মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা। দ্বিতীয় পর্বে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে তিন দিনের বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের।
আরও পড়ুন
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি