
বিডিজেন ডেস্ক

পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে দেশে ফেরেন কাতারপ্রবাসী আবুল বাসার (৪৮)। সোমবার (৭ এপ্রিল) সকালে তিনি ঢাকায় পৌঁছান। বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর প্রথম আলোর।
আবুল বাসার নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের উত্তর সাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম আবদুল মালেক। তিনি ২৪ বছর ধরে কাতারে ছিলেন।
আবুল বাসারের চাচাতো ভাই এনামুল হক জানান, পাঁচ ভাই এক বোনের মধ্যে আবুল বাশার বড়। তারা তিন ভাই কাতারে থাকতেন। গত জানুয়ারি মাসে তিনি দেশে ফিরে তাঁর একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। পরে আবার কাতার চলে যান। সেখানে কোনো কাজ না পেয়ে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত জানালে স্ত্রী তাঁকে নিষেধ করেন। এরপর পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে গতকাল সকালে তিনি দেশে ফেরেন।
এনামুল হক জানান, বাসে করে আবুল বাসার চৌমুহনীতে এসে স্ত্রীকে ফোন দেন। স্ত্রীর সঙ্গে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে আবুল বাসার বলেন, ‘আমি না এলে আমার লাশ হলেও বাড়ি যাবে।’ পরে তিনি চৌমুহনী রেলস্টেশন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আবুল বাসার হঠাৎ চৌমুহনী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রেললাইনে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়েন। ওই সময় কুমিল্লার লাকসাম থেকে আসা ট্রেনে কাটা পড়ে তিনি মারা যান।
স্বামীর মৃত্যুর খবর শুনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন স্ত্রী লাকি আক্তার। তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চৌমুহনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ কুমার মজুমদার বলেন, খবর পেয়ে তারা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হবে।
সূত্র: প্রথম আলো

পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে দেশে ফেরেন কাতারপ্রবাসী আবুল বাসার (৪৮)। সোমবার (৭ এপ্রিল) সকালে তিনি ঢাকায় পৌঁছান। বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর প্রথম আলোর।
আবুল বাসার নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের উত্তর সাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম আবদুল মালেক। তিনি ২৪ বছর ধরে কাতারে ছিলেন।
আবুল বাসারের চাচাতো ভাই এনামুল হক জানান, পাঁচ ভাই এক বোনের মধ্যে আবুল বাশার বড়। তারা তিন ভাই কাতারে থাকতেন। গত জানুয়ারি মাসে তিনি দেশে ফিরে তাঁর একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। পরে আবার কাতার চলে যান। সেখানে কোনো কাজ না পেয়ে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত জানালে স্ত্রী তাঁকে নিষেধ করেন। এরপর পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে গতকাল সকালে তিনি দেশে ফেরেন।
এনামুল হক জানান, বাসে করে আবুল বাসার চৌমুহনীতে এসে স্ত্রীকে ফোন দেন। স্ত্রীর সঙ্গে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে আবুল বাসার বলেন, ‘আমি না এলে আমার লাশ হলেও বাড়ি যাবে।’ পরে তিনি চৌমুহনী রেলস্টেশন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আবুল বাসার হঠাৎ চৌমুহনী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রেললাইনে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়েন। ওই সময় কুমিল্লার লাকসাম থেকে আসা ট্রেনে কাটা পড়ে তিনি মারা যান।
স্বামীর মৃত্যুর খবর শুনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন স্ত্রী লাকি আক্তার। তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চৌমুহনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ কুমার মজুমদার বলেন, খবর পেয়ে তারা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হবে।
সূত্র: প্রথম আলো
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ওই এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী দফায় দফায় হামলা চালায়। নিহত বাংলাদেশিরা সেখানে কর্মরত ছিলেন।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো দেশ ভিসা দেওয়ার শর্ত হিসেবে আবেদনকারীর কাছে আর্থিক গ্যারান্টি বা ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট চাইলে ব্যাংকগুলো এখন সেই অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে। এ জন্য আবেদনকারীর নামে আন্তর্জাতিক বা ভার্চুয়াল কার্ড ইস্যু করা যাবে, যেখানে প্রয়োজনীয় অর্থ আগে থেকেই জমা করা থাকবে।
বৈঠকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন সম্প্রসারণের বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও ভাষাগত পারদর্শিতা অর্জনের পাশাপাশি নিয়মিত অভিবাসন প্রক্রিয়াকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মশালায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান ড. সুসান ভাইজ। তিনি বলেন, “এই কর্মশালা শুধু ঝুঁকি চিহ্নিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিদ্যমান সক্ষমতা, ব্যবস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো কতটা কার্যকরভাবে এসব ঝুঁকি মোকাবিলা করতে পারে, তা বোঝার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

কর্মশালায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান ড. সুসান ভাইজ। তিনি বলেন, “এই কর্মশালা শুধু ঝুঁকি চিহ্নিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিদ্যমান সক্ষমতা, ব্যবস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো কতটা কার্যকরভাবে এসব ঝুঁকি মোকাবিলা করতে পারে, তা বোঝার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
১ দিন আগে