
বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় ১৫ দিনের ব্যক্তিগত সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাত ১০টা ২৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।
মির্জা ফখরুলের একান্ত সহকারী এম ইউনুস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ১০ অক্টোবর বড় মেয়েকে দেখতে অস্ট্রেলিয়া যান মির্জা ফখরুল। এর আগে তাঁর স্ত্রী অস্ট্রেলিয়া গেলেও এই দম্পতি একসঙ্গে দেশে ফিরেছেন।
ফখরুলের বড় মেয়ে ডা. শামারুহ মির্জা একজন চিকিৎসা বিজ্ঞানী। তিনি ২০০৬ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বসবাস করছেন।
চিকিৎসক হলেও শামারুহ মূলত নারী সংগঠক হিসেবেই পরিচিত।

অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় ১৫ দিনের ব্যক্তিগত সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাত ১০টা ২৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।
মির্জা ফখরুলের একান্ত সহকারী এম ইউনুস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ১০ অক্টোবর বড় মেয়েকে দেখতে অস্ট্রেলিয়া যান মির্জা ফখরুল। এর আগে তাঁর স্ত্রী অস্ট্রেলিয়া গেলেও এই দম্পতি একসঙ্গে দেশে ফিরেছেন।
ফখরুলের বড় মেয়ে ডা. শামারুহ মির্জা একজন চিকিৎসা বিজ্ঞানী। তিনি ২০০৬ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বসবাস করছেন।
চিকিৎসক হলেও শামারুহ মূলত নারী সংগঠক হিসেবেই পরিচিত।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”