
বিডিজেন ডেস্ক

কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবের একটি বিল থেকে মানিক রিয়াদ (৪০) নামের এক কাতারপ্রবাসীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে দড়িচন্ডিবের একটি বিল থেকে ভৈরব থানা-পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
মৃত মানিক রিয়াদ ভৈরব উপজেলা শিমুলকান্দি ইউনিয়নের বড় রাজাকাটা গ্রামের কাদির মিয়ার ছেলে। জানা গেছে, মানিক দীর্ঘদিন ধরে কাতারে ছিলেন। কিছুদিন আগে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, ভৈরব পৌর এলাকার দড়িচন্ডিবের গ্রামের বিলে লাশ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই লাশ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ফুহাদ রুহানী বলেন, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার সঙ্গে থাকা মানিব্যাগ থেকে কাতারের একটি আইডি কার্ড পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দুদিন আগে কেউ তাকে হত্যা করে বিলে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবের একটি বিল থেকে মানিক রিয়াদ (৪০) নামের এক কাতারপ্রবাসীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে দড়িচন্ডিবের একটি বিল থেকে ভৈরব থানা-পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
মৃত মানিক রিয়াদ ভৈরব উপজেলা শিমুলকান্দি ইউনিয়নের বড় রাজাকাটা গ্রামের কাদির মিয়ার ছেলে। জানা গেছে, মানিক দীর্ঘদিন ধরে কাতারে ছিলেন। কিছুদিন আগে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, ভৈরব পৌর এলাকার দড়িচন্ডিবের গ্রামের বিলে লাশ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই লাশ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ফুহাদ রুহানী বলেন, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার সঙ্গে থাকা মানিব্যাগ থেকে কাতারের একটি আইডি কার্ড পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দুদিন আগে কেউ তাকে হত্যা করে বিলে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।