
বিডিজেন ডেস্ক

বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় ১১ বছর পর খালাস পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও সহযোগী সংগঠনের সিলেট ও বিয়ানীবাজার শাখার ৬১ জন নেতা–কর্মী।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) সিলেটের অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের বিচারক এই মামলা থেকে তাদের খালাস ঘোষণা করে রায় দেন।
খালাসপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, বিএনপির সিলেট জেলা শাখার সহসভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল, শিশুবিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিক আহমদ, বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ছরওয়ার হোসেন, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক সাইফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল খান, প্রচার সম্পাদক ফয়েজ আহমদ, যুবদলের সিলেট জেলা শাখার নেতা আবুল কালাম, পৌর শাখার নেতা জানে আলম ও ছাত্রদল নেতা নূর উদ্দিন প্রমুখ।
বিএনপির বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ছরওয়ার হোসেন জানান, ২০১৫ সালে বিয়ানীবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে এ মামলা করেছিলেন।
তিনি আরও জানান, এ মামলার অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম খান। মামলার সকল অভিযুক্ত কারাবরণ করেছেন বলেও জানান তিনি।

বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় ১১ বছর পর খালাস পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও সহযোগী সংগঠনের সিলেট ও বিয়ানীবাজার শাখার ৬১ জন নেতা–কর্মী।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) সিলেটের অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের বিচারক এই মামলা থেকে তাদের খালাস ঘোষণা করে রায় দেন।
খালাসপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, বিএনপির সিলেট জেলা শাখার সহসভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল, শিশুবিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিক আহমদ, বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ছরওয়ার হোসেন, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক সাইফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল খান, প্রচার সম্পাদক ফয়েজ আহমদ, যুবদলের সিলেট জেলা শাখার নেতা আবুল কালাম, পৌর শাখার নেতা জানে আলম ও ছাত্রদল নেতা নূর উদ্দিন প্রমুখ।
বিএনপির বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ছরওয়ার হোসেন জানান, ২০১৫ সালে বিয়ানীবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে এ মামলা করেছিলেন।
তিনি আরও জানান, এ মামলার অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম খান। মামলার সকল অভিযুক্ত কারাবরণ করেছেন বলেও জানান তিনি।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।