
বিডিজেন ডেস্ক

অমর একুশে বইমেলা-২০২৫ রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় গত ৬ নভেম্বর বাংলা একাডেমিকে চিঠি দিয়ে বলেছিল, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পরিবর্তে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণেই একুশে বইমেলা–২০২৫ আয়োজন করতে হবে। তবে একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম সে সময়ে বলেছিলেন, তারা চেষ্টা করবেন যেন বইমেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই করা যায়।
২০১৪ সালে সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থাকে বরাদ্দ দেওয়া হয় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে। তবে মেলার মূল মঞ্চ এবং তথ্যকেন্দ্র রাখা হয় একাডেমি প্রাঙ্গণেই।
এক দশক ধরে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই হচ্ছে বইমেলা। এ বছরও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় সাড়ে ১১ লাখ বর্গফুট জায়গাজুড়ে বসে বইমেলার আয়োজন।
তবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল গত মেলার সময়ই। উদ্যান ঘিরে সাংস্কৃতিক বলয় তৈরির অংশ হিসেবে মার্চ মাস থেকে কিছু প্রকল্পের কাজ শুরুর পরিকল্পনা করেছিল গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। সে কারণে ২০২৫ সালের বইমেলার জন্য তারা উদ্যানের জায়গা বরাদ্দ দেবে না বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়ে দিয়েছিল। বইমেলা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে সরিয়ে পূর্বাচলে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও গুঞ্জন রটে তখন।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় তাদের এ সিদ্ধান্ত থেকে সরেনি; ৬ নভেম্বরের চিঠিতে সে কথাই স্পষ্ট করা হয়েছে।
তবে বুধবার এ অনিশ্চয়তা সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ফারুকী বলেন, এ বিষয়ে মঙ্গলবার অনেকগুলো পত্রিকায় রিপোর্ট হয়েছে। রিপোর্ট হওয়ার আগে থেকে আমরা এটা নিয়ে কাজ করছিলাম। গণপূর্ত উপদেষ্টার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমাদের সচিব সাহেব গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন। এটার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ও জড়িত রয়েছে, সেই মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গেও কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, আমি আপনাদের এটুকু বলতে পারি যে, আমরা একটা পজিটিভ আউটকামের দিকে যাচ্ছি। আশা করা যায়, বইমেলা যেখানে হতো সেখানেই হবে এবং সুন্দর আয়োজনে হবে। কোনো ঝামেলা হবে না। এরই মধ্যে তিন মন্ত্রণালয় এটা নিয়ে কাজ করছে। তিন মন্ত্রণালয়ের সভা হয়েছে, সামনে আরও হবে।
বইমেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই হবে, এটা কি আমরা বলতে পারি- জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘আশা করা যায়।’
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমির গেটে চট বিছিয়ে বই বিক্রি শুরু করেন প্রকাশনা সংস্থা মুক্তধারার প্রতিষ্ঠাতা চিত্তরঞ্জন সাহা। ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমির একুশের অনুষ্ঠানমালার সঙ্গে মিল রেখে একাডেমির ভেতরে ছোট একটি স্টল স্থাপন করে বই বিক্রি করে মুক্তধারা। ১৯৭৭ সালে মুক্তধারার সঙ্গে আরও অনেকে যোগ দেয়। সেই থেকে একুশে বইমেলার সূচনা।
১৯৭৮ সালে বাংলা একাডেমির তৎকালীন মহাপরিচালক আশরাফ সিদ্দিকী একাডেমিকে এ বইমেলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন। এর পরের বছরই বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা ও প্রকাশক সমিতি মেলার সঙ্গে যুক্ত হয়। মনজুরে মওলা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকার সময় ১৯৮৩ সালে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ নামে এ মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তা করা যায়নি। পরের বছর থেকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সূচনা হয় ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’।
১৯৮৪ সাল থেকে বাংলা একাডেমি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ নাম দিয়ে ধারাবাহিকভাবে মেলা পরিচালনা করছে। ২০২১ সাল থেকে মেলার প্রাতিষ্ঠানিক নামকরণ করা হয় ‘অমর একুশে বইমেলা’।
মেলা শুরু থেকেই একাডেমি প্রাঙ্গণে হয়ে এলেও ধীরে ধীরে পরিসর বাড়তে থাকায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আর জায়গা সংকুলান হচ্ছিল না। পরে একাডেমির সামনের সড়কেও বইমেলার স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরপর একাডেমির পাশাপাশি তা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিয়ে যাওয়া হয়।

অমর একুশে বইমেলা-২০২৫ রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় গত ৬ নভেম্বর বাংলা একাডেমিকে চিঠি দিয়ে বলেছিল, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পরিবর্তে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণেই একুশে বইমেলা–২০২৫ আয়োজন করতে হবে। তবে একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম সে সময়ে বলেছিলেন, তারা চেষ্টা করবেন যেন বইমেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই করা যায়।
২০১৪ সালে সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থাকে বরাদ্দ দেওয়া হয় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে। তবে মেলার মূল মঞ্চ এবং তথ্যকেন্দ্র রাখা হয় একাডেমি প্রাঙ্গণেই।
এক দশক ধরে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই হচ্ছে বইমেলা। এ বছরও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় সাড়ে ১১ লাখ বর্গফুট জায়গাজুড়ে বসে বইমেলার আয়োজন।
তবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল গত মেলার সময়ই। উদ্যান ঘিরে সাংস্কৃতিক বলয় তৈরির অংশ হিসেবে মার্চ মাস থেকে কিছু প্রকল্পের কাজ শুরুর পরিকল্পনা করেছিল গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। সে কারণে ২০২৫ সালের বইমেলার জন্য তারা উদ্যানের জায়গা বরাদ্দ দেবে না বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়ে দিয়েছিল। বইমেলা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে সরিয়ে পূর্বাচলে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও গুঞ্জন রটে তখন।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় তাদের এ সিদ্ধান্ত থেকে সরেনি; ৬ নভেম্বরের চিঠিতে সে কথাই স্পষ্ট করা হয়েছে।
তবে বুধবার এ অনিশ্চয়তা সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ফারুকী বলেন, এ বিষয়ে মঙ্গলবার অনেকগুলো পত্রিকায় রিপোর্ট হয়েছে। রিপোর্ট হওয়ার আগে থেকে আমরা এটা নিয়ে কাজ করছিলাম। গণপূর্ত উপদেষ্টার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমাদের সচিব সাহেব গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন। এটার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ও জড়িত রয়েছে, সেই মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গেও কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, আমি আপনাদের এটুকু বলতে পারি যে, আমরা একটা পজিটিভ আউটকামের দিকে যাচ্ছি। আশা করা যায়, বইমেলা যেখানে হতো সেখানেই হবে এবং সুন্দর আয়োজনে হবে। কোনো ঝামেলা হবে না। এরই মধ্যে তিন মন্ত্রণালয় এটা নিয়ে কাজ করছে। তিন মন্ত্রণালয়ের সভা হয়েছে, সামনে আরও হবে।
বইমেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই হবে, এটা কি আমরা বলতে পারি- জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘আশা করা যায়।’
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমির গেটে চট বিছিয়ে বই বিক্রি শুরু করেন প্রকাশনা সংস্থা মুক্তধারার প্রতিষ্ঠাতা চিত্তরঞ্জন সাহা। ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমির একুশের অনুষ্ঠানমালার সঙ্গে মিল রেখে একাডেমির ভেতরে ছোট একটি স্টল স্থাপন করে বই বিক্রি করে মুক্তধারা। ১৯৭৭ সালে মুক্তধারার সঙ্গে আরও অনেকে যোগ দেয়। সেই থেকে একুশে বইমেলার সূচনা।
১৯৭৮ সালে বাংলা একাডেমির তৎকালীন মহাপরিচালক আশরাফ সিদ্দিকী একাডেমিকে এ বইমেলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন। এর পরের বছরই বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা ও প্রকাশক সমিতি মেলার সঙ্গে যুক্ত হয়। মনজুরে মওলা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকার সময় ১৯৮৩ সালে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ নামে এ মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তা করা যায়নি। পরের বছর থেকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সূচনা হয় ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’।
১৯৮৪ সাল থেকে বাংলা একাডেমি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ নাম দিয়ে ধারাবাহিকভাবে মেলা পরিচালনা করছে। ২০২১ সাল থেকে মেলার প্রাতিষ্ঠানিক নামকরণ করা হয় ‘অমর একুশে বইমেলা’।
মেলা শুরু থেকেই একাডেমি প্রাঙ্গণে হয়ে এলেও ধীরে ধীরে পরিসর বাড়তে থাকায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আর জায়গা সংকুলান হচ্ছিল না। পরে একাডেমির সামনের সড়কেও বইমেলার স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরপর একাডেমির পাশাপাশি তা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিয়ে যাওয়া হয়।
মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে স্থানীয় আকুনি মাদরাসা মাঠে হাজারও মানুষের উপস্থিতিতে সম্মিলিত জানাজা শেষে নিজ নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাদের সমাহিত করা হয়।
আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এ সময় প্রিয়জন হারানো স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয়।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।