
বিডিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রামে বিএনপির মিছিলে হামলার মামলায় এক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর নাম নোয়াব আলী। তিনি আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান।
গতকাল রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে নগরের রাহাত্তারপুল এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা–পুলিশ।
নোয়াব আলী আওয়ামী লীগের আনোয়ারা উপজেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক। তিনি ২০২২ সালে বৈরাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিকেলে আনোয়ারা উপজেলার কালাবিবি দিঘির মোড়ে বিএনপির মিছিলে হামলার অভিযোগে ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর আনোয়ারা থানায় একটি মামলা হয়। সেই মামলায় নোয়াব আলীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার বাদী তৌহিদ মিয়া (৩৪) নামের এক ব্যক্তি। মামলাটিতে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খানসহ ১১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, গত ৭ অক্টোবর আনোয়ারা থানায় হওয়া বিস্ফোরক আইনের মামলায় নোয়াব আলী এজাহারভুক্ত অভিযুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা আছে কি না, যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামে বিএনপির মিছিলে হামলার মামলায় এক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর নাম নোয়াব আলী। তিনি আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান।
গতকাল রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে নগরের রাহাত্তারপুল এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা–পুলিশ।
নোয়াব আলী আওয়ামী লীগের আনোয়ারা উপজেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক। তিনি ২০২২ সালে বৈরাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিকেলে আনোয়ারা উপজেলার কালাবিবি দিঘির মোড়ে বিএনপির মিছিলে হামলার অভিযোগে ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর আনোয়ারা থানায় একটি মামলা হয়। সেই মামলায় নোয়াব আলীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার বাদী তৌহিদ মিয়া (৩৪) নামের এক ব্যক্তি। মামলাটিতে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খানসহ ১১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, গত ৭ অক্টোবর আনোয়ারা থানায় হওয়া বিস্ফোরক আইনের মামলায় নোয়াব আলী এজাহারভুক্ত অভিযুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা আছে কি না, যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
বৈঠকে বিদ্যমান অভিবাসন সহযোগিতা পর্যালোচনা এবং দুই দেশের মধ্যে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে সহযোগিতা আরও জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করতে উপস্থিত ছিলেন বৃষ্টির বাবা-মা ও নিকটাত্মীয়রা। এ সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বৃষ্টির কফিন দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন শোকাতুর স্বজনেরা।
ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন।
মরদেহ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে এখন পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৪ জনের লাশ আমরা গ্রহণ করেছি আর একজনের লাশ পরিবারের সম্মতিতে সৌদি আরবেই দাফন করা হয়েছে।