
বিডিজেন ডেস্ক

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত ছয় মাসের মধ্যে শেষ করতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সকে নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ আদেশে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের আদেশ সংশোধন চেয়ে করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ ১২ বছর ধরে নিষ্পত্তি না হওয়া মামলাটি তদন্তে মামলার তদন্তে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র্যাব) সরিয়ে দেওয়ারও আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে টাস্কফোর্স গঠন করতে বলা হয়।
এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টের দেওয়া এক আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় র্যাব। তদন্তের জন্য মামলাটি র্যাবের কাছে পাঠানোর এই আদেশ সংশোধন চেয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রসচিবের পক্ষে হাইকোর্টে আবেদনটি করা হয়।
শুনানি নিয়ে আদালত হাইকোর্টের আদেশ (২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল দেওয়া) সংশোধন চেয়ে করা আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেয়। সেই সঙ্গে পরবর্তী আদেশের জন্য ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল দিন রেখেছে।
এদিকে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) এই হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে ১৮ নভেম্বর ধার্য করেছে বিচারিক আদালত।
ঢাকার সিএমএম আদালতের অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম) মাহবুবুল হক এ আদেশ দেন।
এ নিয়ে এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে এ পর্যন্ত ১১৪ বার সময় বাড়ানো হয়েছে।
এ বছরের ১ অক্টোবর এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষকে সহায়তার জন্য ৯ জন আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি চেয়ে নিম্ন আদালতে রিট করেন রুনির ভাই নওশের।
পরে আদালত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনিরসহ ৯ জন আইনজীবী নিয়োগ দেয়।
১০ অক্টোবর পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ময়নুল ইসলাম বলেন, পুলিশ মামলাটি পুনঃতদন্ত শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় খুন হন।
এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট অভিযুক্ত ৮ জন।
অপর অভিযুক্তরা হলেন- বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।
এ মামলায় গ্রেফতার ৮ জনের মধ্যে দুজন জামিন পেয়েছেন, বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।
২০১২ সালের ১ অক্টোবর তানভীর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ২০১৪ সালে জামিন পান তিনি।
সাগর-রুনি হত্যা মামলা বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত এক মামলা। এই হত্যাকাণ্ড ঘটার পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত ছয় মাসের মধ্যে শেষ করতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সকে নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ আদেশে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের আদেশ সংশোধন চেয়ে করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ ১২ বছর ধরে নিষ্পত্তি না হওয়া মামলাটি তদন্তে মামলার তদন্তে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র্যাব) সরিয়ে দেওয়ারও আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে টাস্কফোর্স গঠন করতে বলা হয়।
এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টের দেওয়া এক আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় র্যাব। তদন্তের জন্য মামলাটি র্যাবের কাছে পাঠানোর এই আদেশ সংশোধন চেয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রসচিবের পক্ষে হাইকোর্টে আবেদনটি করা হয়।
শুনানি নিয়ে আদালত হাইকোর্টের আদেশ (২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল দেওয়া) সংশোধন চেয়ে করা আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেয়। সেই সঙ্গে পরবর্তী আদেশের জন্য ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল দিন রেখেছে।
এদিকে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) এই হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে ১৮ নভেম্বর ধার্য করেছে বিচারিক আদালত।
ঢাকার সিএমএম আদালতের অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম) মাহবুবুল হক এ আদেশ দেন।
এ নিয়ে এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে এ পর্যন্ত ১১৪ বার সময় বাড়ানো হয়েছে।
এ বছরের ১ অক্টোবর এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষকে সহায়তার জন্য ৯ জন আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি চেয়ে নিম্ন আদালতে রিট করেন রুনির ভাই নওশের।
পরে আদালত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনিরসহ ৯ জন আইনজীবী নিয়োগ দেয়।
১০ অক্টোবর পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ময়নুল ইসলাম বলেন, পুলিশ মামলাটি পুনঃতদন্ত শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় খুন হন।
এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট অভিযুক্ত ৮ জন।
অপর অভিযুক্তরা হলেন- বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।
এ মামলায় গ্রেফতার ৮ জনের মধ্যে দুজন জামিন পেয়েছেন, বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।
২০১২ সালের ১ অক্টোবর তানভীর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ২০১৪ সালে জামিন পান তিনি।
সাগর-রুনি হত্যা মামলা বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত এক মামলা। এই হত্যাকাণ্ড ঘটার পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।
বৈঠকে শ্রমবাজার খোলা ও ব্যয় কমানো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এতে মালয়েশিয়ার খাতভিত্তিক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শ্রম বাজার পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এবং একটি ন্যায্য, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছে।
বৈঠকে তারা শ্রম সম্পর্ক বিষয়ে আলোচনা এবং শ্রমিক শোষণ রোধে একটি স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন ও কার্যকর নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
১৩টি দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। জাল কাগজপত্র ব্যবহার, অবিশ্বস্ত বা লাইসেন্সবিহীন এজেন্টের সহায়তা নেওয়া কিংবা অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অর্থ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
বক্তারা বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে টেকসইভাবে জমির উর্বরতা ব্যবস্থাপনা, উচ্চফলনশীল ও ঘাত-সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন এবং তা মাঠ পর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি।