
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) ঢাকায় নিয়োজিত ইউএই দূতাবাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনের কাছে পাঠানো আলাদা দুটি শোকবার্তায় তারা খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
শোকবার্তায় বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ দুই ব্যক্তিই থালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাদের আন্তরিক সমবেদনা ও গভীর সহানুভূতি ব্যক্ত করেছেন। এ ছাড়া, খালেদা জিয়ার পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও স্বজনদের ধৈর্য ও সান্ত্বনা প্রদান করেছেন তারা।
ইউএই দূতাবাস থেকে আরও জানানো হয়, দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেনশিয়াল কোর্টের মন্ত্রী শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ান খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) ঢাকায় নিয়োজিত ইউএই দূতাবাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনের কাছে পাঠানো আলাদা দুটি শোকবার্তায় তারা খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
শোকবার্তায় বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ দুই ব্যক্তিই থালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাদের আন্তরিক সমবেদনা ও গভীর সহানুভূতি ব্যক্ত করেছেন। এ ছাড়া, খালেদা জিয়ার পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও স্বজনদের ধৈর্য ও সান্ত্বনা প্রদান করেছেন তারা।
ইউএই দূতাবাস থেকে আরও জানানো হয়, দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেনশিয়াল কোর্টের মন্ত্রী শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ান খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।