
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে খাবারের দোকান খোলা রাখতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। তারা বলেছে, এ ধরনের কাজ বেআইনি। এর ফলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অসুস্থ ব্যক্তি, শিশু, দিনমজুর ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা।
আসকের চেয়ারপারসন ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না সাক্ষরিত আসকের বিবৃতিতে গণমাধ্যমের সূত্র ধরে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে রমজানের ‘পবিত্রতা’ রক্ষায় দিনের বেলায় খাবারের দোকান খোলা রাখার বিষয়ে একটি গোষ্ঠী কর্তৃক অযাচিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। দোকানমালিকেরা নিরাপত্তার কথা ভেবে ওই সব জায়গায় দোকান বন্ধ রাখছেন বলে জানা যাচ্ছে। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অসুস্থ ব্যক্তি, শিশু, দিনমজুর ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রমজান শুরুর আগেই “সম্মিলিত মুসলিম জনতা” ব্যানারে রমজান মাসে দিনের বেলায় খাবারের দোকান বন্ধ রাখার দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় মিছিল, সমাবেশ করে। এ ছাড়া ধর্মভিত্তিক একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এক বিবৃতিতে “দিনের বেলা হোটেল, রেস্তোরাঁ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান”। আমরা লক্ষ করছি, এ ধরনের মিছিল ও আহ্বানের পরপরই ঢাকাসহ দেশের অনেক জায়গায় খাবারের দোকানগুলো বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।’
আসক বলেছে, ‘পবিত্র রমজান মাস পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রদর্শনের মাস। কাজেই খাবারের দোকান বন্ধ রাখা কিংবা খাবারের মতো অতি মৌলিক বিষয়টিতে অযাচিত হস্তক্ষেপ কিংবা জোরপূর্বক খাবারের দোকান বন্ধ রাখার আহ্বান অথবা অনুরোধ—কোনোটাই কাম্য নয়। আমাদের মনে রাখতে হবে, নারী, শিশু, বয়োবৃদ্ধ, অসুস্থ ও দিনমজুর এবং অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য খাবারের দোকান বন্ধ রাখাটা অনেক সময় সংকট সৃষ্টি করছে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, অবিবেচনাসুলভ এবং বাস্তবতাবিবর্জিত আহ্বান সমাজে শুধু বিভেদই সৃষ্টি করছে না; বরং সমাজে মানুষের মৌলিক অধিকার হরণের চেষ্টা লক্ষ করা যাচ্ছে। এ ধরনের বেআইনি আহ্বান এবং কোথাও কোথাও জোরপূর্বক খাবারের দোকান বন্ধ রাখার বিষয়ে অতি উৎসাহী ব্যক্তিদের নিবৃত রাখতে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানায় আসক।

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে খাবারের দোকান খোলা রাখতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। তারা বলেছে, এ ধরনের কাজ বেআইনি। এর ফলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অসুস্থ ব্যক্তি, শিশু, দিনমজুর ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা।
আসকের চেয়ারপারসন ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না সাক্ষরিত আসকের বিবৃতিতে গণমাধ্যমের সূত্র ধরে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে রমজানের ‘পবিত্রতা’ রক্ষায় দিনের বেলায় খাবারের দোকান খোলা রাখার বিষয়ে একটি গোষ্ঠী কর্তৃক অযাচিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। দোকানমালিকেরা নিরাপত্তার কথা ভেবে ওই সব জায়গায় দোকান বন্ধ রাখছেন বলে জানা যাচ্ছে। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অসুস্থ ব্যক্তি, শিশু, দিনমজুর ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রমজান শুরুর আগেই “সম্মিলিত মুসলিম জনতা” ব্যানারে রমজান মাসে দিনের বেলায় খাবারের দোকান বন্ধ রাখার দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় মিছিল, সমাবেশ করে। এ ছাড়া ধর্মভিত্তিক একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এক বিবৃতিতে “দিনের বেলা হোটেল, রেস্তোরাঁ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান”। আমরা লক্ষ করছি, এ ধরনের মিছিল ও আহ্বানের পরপরই ঢাকাসহ দেশের অনেক জায়গায় খাবারের দোকানগুলো বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।’
আসক বলেছে, ‘পবিত্র রমজান মাস পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রদর্শনের মাস। কাজেই খাবারের দোকান বন্ধ রাখা কিংবা খাবারের মতো অতি মৌলিক বিষয়টিতে অযাচিত হস্তক্ষেপ কিংবা জোরপূর্বক খাবারের দোকান বন্ধ রাখার আহ্বান অথবা অনুরোধ—কোনোটাই কাম্য নয়। আমাদের মনে রাখতে হবে, নারী, শিশু, বয়োবৃদ্ধ, অসুস্থ ও দিনমজুর এবং অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য খাবারের দোকান বন্ধ রাখাটা অনেক সময় সংকট সৃষ্টি করছে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, অবিবেচনাসুলভ এবং বাস্তবতাবিবর্জিত আহ্বান সমাজে শুধু বিভেদই সৃষ্টি করছে না; বরং সমাজে মানুষের মৌলিক অধিকার হরণের চেষ্টা লক্ষ করা যাচ্ছে। এ ধরনের বেআইনি আহ্বান এবং কোথাও কোথাও জোরপূর্বক খাবারের দোকান বন্ধ রাখার বিষয়ে অতি উৎসাহী ব্যক্তিদের নিবৃত রাখতে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানায় আসক।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।