
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরব থেকে ফিরে আসা এক নারীর পরিবারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ওই নারী সৌদি আরব থেকে ফিরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগমনী লাউঞ্জে অসংলগ্ন অবস্থায় ঘোরাঘুরি করছিলেন। পরে তাকে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের হেফাজতে দেওয়া হয়।
আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যাণ্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। তিনি অসুস্থ ও মানসিকভাবে অসংলগ্ন ছিলেন। বিমানবন্দরের আগমনী লাউঞ্জে তাকে ঘোরাফেরা করতে দেখে সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) সদস্যরা তার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি নিজের বাড়ির ঠিকানা কিংবা পরিবারের কারও ফোন নম্বর-কিছুই বলতে পারছিলেন না। এ অবস্থায় তার মানসিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাৎক্ষণিক তাকে নিরাপদ আবাসন ও পরিবারের সন্ধানের জন্য ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের কাছে হস্তান্তর করে এভসেক।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন অ্যাণ্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান জানান, গত সাত দিন ধরে ওই নারী ব্র্যকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে অবস্থান করছেন। ব্র্যাকের মনোসামাজিক কাউন্সেলর ও প্রশিক্ষিত কর্মীরা তার সঙ্গে নিয়মিত কথা বলার চেষ্টা করছেন। তবে তিনি নিজের সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারছেন না। তার কাছে কোনো পাসপোর্ট, পরিচয়পত্র বা ব্যক্তিগত নথিপত্র পাওয়া যায়নি। তার কাছে শুধু বিমানের একটা টিকিট ছিল। সেখানে প্রাথমিক পরিচয় রিজিয়া বেগম, পিতা/স্বামী: আব্দুর নুর শুধু এতটুকু উল্লেখ আছে।

তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে, তিনি জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সেফ হোম থেকে দেশে ফিরেছেন। তবে তিনি মুসলিম ও সৌদি এই দুটো শব্দ ছাড়া আর কিছুই বলছেন না। এই নারীর পরিবারকে খুঁজে পেতে আমরা গণমাধ্যমসহ সবার সহায়তা চাইছি।
যদি কেউ এই নারীর পরিচয় বা তার পরিবারের সন্ধান জানেন, তবে অবিলম্বে ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের ব্যাবস্থাপক আল আমিন নয়নের নম্বরে ০১৭১২-১৯৭৮৫৪ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে ব্র্যাক।

সৌদি আরব থেকে ফিরে আসা এক নারীর পরিবারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ওই নারী সৌদি আরব থেকে ফিরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগমনী লাউঞ্জে অসংলগ্ন অবস্থায় ঘোরাঘুরি করছিলেন। পরে তাকে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের হেফাজতে দেওয়া হয়।
আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যাণ্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। তিনি অসুস্থ ও মানসিকভাবে অসংলগ্ন ছিলেন। বিমানবন্দরের আগমনী লাউঞ্জে তাকে ঘোরাফেরা করতে দেখে সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) সদস্যরা তার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি নিজের বাড়ির ঠিকানা কিংবা পরিবারের কারও ফোন নম্বর-কিছুই বলতে পারছিলেন না। এ অবস্থায় তার মানসিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাৎক্ষণিক তাকে নিরাপদ আবাসন ও পরিবারের সন্ধানের জন্য ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের কাছে হস্তান্তর করে এভসেক।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন অ্যাণ্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান জানান, গত সাত দিন ধরে ওই নারী ব্র্যকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে অবস্থান করছেন। ব্র্যাকের মনোসামাজিক কাউন্সেলর ও প্রশিক্ষিত কর্মীরা তার সঙ্গে নিয়মিত কথা বলার চেষ্টা করছেন। তবে তিনি নিজের সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারছেন না। তার কাছে কোনো পাসপোর্ট, পরিচয়পত্র বা ব্যক্তিগত নথিপত্র পাওয়া যায়নি। তার কাছে শুধু বিমানের একটা টিকিট ছিল। সেখানে প্রাথমিক পরিচয় রিজিয়া বেগম, পিতা/স্বামী: আব্দুর নুর শুধু এতটুকু উল্লেখ আছে।

তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে, তিনি জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সেফ হোম থেকে দেশে ফিরেছেন। তবে তিনি মুসলিম ও সৌদি এই দুটো শব্দ ছাড়া আর কিছুই বলছেন না। এই নারীর পরিবারকে খুঁজে পেতে আমরা গণমাধ্যমসহ সবার সহায়তা চাইছি।
যদি কেউ এই নারীর পরিচয় বা তার পরিবারের সন্ধান জানেন, তবে অবিলম্বে ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের ব্যাবস্থাপক আল আমিন নয়নের নম্বরে ০১৭১২-১৯৭৮৫৪ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে ব্র্যাক।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।