
সংবাদদাতা, হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। এ ঘটনায় ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছে। তবে হতাহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাত ২টার দিকে মাধবপুর উপজেলার বাখরনখর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পিকআপ ভ্যানটিতে বাসাবাড়ির মালামালসহ ১৬-১৭ জন যাত্রী ছিল। ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ৪ জন নিহত হয়। এ ছাড়া, গুরুতর আহত অবস্থায় ৮ জনকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আব্দুল্লাহ আল মামুন আরও বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাক ও পিকআপ ভ্যান হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। মরদেহগুলো হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। এ ঘটনায় ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছে। তবে হতাহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাত ২টার দিকে মাধবপুর উপজেলার বাখরনখর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পিকআপ ভ্যানটিতে বাসাবাড়ির মালামালসহ ১৬-১৭ জন যাত্রী ছিল। ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ৪ জন নিহত হয়। এ ছাড়া, গুরুতর আহত অবস্থায় ৮ জনকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আব্দুল্লাহ আল মামুন আরও বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাক ও পিকআপ ভ্যান হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। মরদেহগুলো হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি