বিডিজেন ডেস্ক
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ কোনটি? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে ‘ধনী’ শব্দের অর্থ বোঝা জরুরী। একটা দেশ ধনী না কি দরিদ্র, সেটা বোঝার জন্য জিডিপি পার ক্যাপিটা দেখা হয়। এটি মূলত কোনো দেশের বার্ষিক পণ্য-পরিসেবা উন্নয়নের সামষ্টিক হিসাব। এ হিসাবকে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ দিলে যে কোনো দেশের মাথাপিছু আয় বের করা যায়। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তালিকায় মাথাপিছু আয়ের সঙ্গে জনগণের গড় ক্রয়ক্ষমতাকেও যোগ করা হয়েছে।
আইএমফের তালিকা বলছে, পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশ লুক্সেমবার্গ। সমৃদ্ধির দিক থেকে আমেরিকা ও চীনকে পেছেন ফেলেছে আয়তনে ক্ষুদ্র এই দেশটি।
ছোট্ট দেশ হলেও লুক্সেমবার্গের মানুষের মাথাপিছু আয় এক লাখ ২০ হাজার ৩১২ ডলার। ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতিও লুক্সেমবার্গেরই। ভালো বেতনের জন্য চাকরিসূত্রে এ দেশে বসবাস করছেন বহু বিদেশিও।
লুক্সেমবার্গে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। দেশটির জনসংখ্যা মোটে ৬ লাখ ৬০ হাজার।
অপেক্ষাকৃত স্বল্প হারের কর্পোরেট কর, সুবিধাজনক স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য এখানকার বাসিন্দাদের মাথাপিছু আয় বেশি। সেই হিসাবে ২০২৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ হয়ে উঠেছে লুক্সেমবার্গ।
দেশটিতে আয়ের প্রায় ২৮ শতাংশ করের জন্য ব্যয় করতে হয় নাগরিকদের। তাদের ব্যক্তিগত উপার্জনের ৩ শতাংশ সরকারি স্বাস্থ্য বিমা তহবিলে জমা করা বাধ্যতামূলক হলেও এর বিনিময়ে তারা যে ধরনের পরিষেবা পান তা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না । দাঁতের চিকিৎসা বাদ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা একেবারে বিনামূল্যে পাওয়া যায় এই দেশে। কম খরচে উন্নত উচ্চশিক্ষা ও নানা সুযোগ-সুবিধার কারণে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে দেশটি।
আইএমএফের বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আয়ারল্যান্ড। দেশটির মাথাপিছু আয় এক লাখ ১৭ হাজার ৯৮৮ ডলার।
তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড। দেশটির মাথাপিছু আয় এক লাখ ১০ হাজার ২৫১ ডলার। এরপরে এক লাখ দুই হাজার ৪৬৫ ডলার মাথাপিছু আয় নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে নরওয়ে। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির মাথাপিছু আয় ৯১ হাজার ৭৩৩ ডলার।
তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড। দেশটির মাথাপিছু আয় ৮৭ হাজার ৮৭৫ ডলার। সপ্তম অবস্থানে রয়েছে কাতার। দেশটির মাথাপিছু আয় ৮৪ হাজার ৯০৬ ডলার। এরপরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির মাথাপিছু আয় ৮৩ হাজার ৬৬ ডলার। নবম অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক। দেশটির মাথাপিছু আয় ৭২ হাজার ৯৪০ ডলার। তালিকায় সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে ম্যাকাও এসএআর। দেশটির মাথাপিছু আয় ৭০ হাজার ১৩৫ ডলার।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ কোনটি? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে ‘ধনী’ শব্দের অর্থ বোঝা জরুরী। একটা দেশ ধনী না কি দরিদ্র, সেটা বোঝার জন্য জিডিপি পার ক্যাপিটা দেখা হয়। এটি মূলত কোনো দেশের বার্ষিক পণ্য-পরিসেবা উন্নয়নের সামষ্টিক হিসাব। এ হিসাবকে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ দিলে যে কোনো দেশের মাথাপিছু আয় বের করা যায়। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তালিকায় মাথাপিছু আয়ের সঙ্গে জনগণের গড় ক্রয়ক্ষমতাকেও যোগ করা হয়েছে।
আইএমফের তালিকা বলছে, পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশ লুক্সেমবার্গ। সমৃদ্ধির দিক থেকে আমেরিকা ও চীনকে পেছেন ফেলেছে আয়তনে ক্ষুদ্র এই দেশটি।
ছোট্ট দেশ হলেও লুক্সেমবার্গের মানুষের মাথাপিছু আয় এক লাখ ২০ হাজার ৩১২ ডলার। ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতিও লুক্সেমবার্গেরই। ভালো বেতনের জন্য চাকরিসূত্রে এ দেশে বসবাস করছেন বহু বিদেশিও।
লুক্সেমবার্গে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। দেশটির জনসংখ্যা মোটে ৬ লাখ ৬০ হাজার।
অপেক্ষাকৃত স্বল্প হারের কর্পোরেট কর, সুবিধাজনক স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য এখানকার বাসিন্দাদের মাথাপিছু আয় বেশি। সেই হিসাবে ২০২৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ হয়ে উঠেছে লুক্সেমবার্গ।
দেশটিতে আয়ের প্রায় ২৮ শতাংশ করের জন্য ব্যয় করতে হয় নাগরিকদের। তাদের ব্যক্তিগত উপার্জনের ৩ শতাংশ সরকারি স্বাস্থ্য বিমা তহবিলে জমা করা বাধ্যতামূলক হলেও এর বিনিময়ে তারা যে ধরনের পরিষেবা পান তা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না । দাঁতের চিকিৎসা বাদ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা একেবারে বিনামূল্যে পাওয়া যায় এই দেশে। কম খরচে উন্নত উচ্চশিক্ষা ও নানা সুযোগ-সুবিধার কারণে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে দেশটি।
আইএমএফের বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আয়ারল্যান্ড। দেশটির মাথাপিছু আয় এক লাখ ১৭ হাজার ৯৮৮ ডলার।
তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড। দেশটির মাথাপিছু আয় এক লাখ ১০ হাজার ২৫১ ডলার। এরপরে এক লাখ দুই হাজার ৪৬৫ ডলার মাথাপিছু আয় নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে নরওয়ে। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির মাথাপিছু আয় ৯১ হাজার ৭৩৩ ডলার।
তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড। দেশটির মাথাপিছু আয় ৮৭ হাজার ৮৭৫ ডলার। সপ্তম অবস্থানে রয়েছে কাতার। দেশটির মাথাপিছু আয় ৮৪ হাজার ৯০৬ ডলার। এরপরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির মাথাপিছু আয় ৮৩ হাজার ৬৬ ডলার। নবম অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক। দেশটির মাথাপিছু আয় ৭২ হাজার ৯৪০ ডলার। তালিকায় সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে ম্যাকাও এসএআর। দেশটির মাথাপিছু আয় ৭০ হাজার ১৩৫ ডলার।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
গরম এলেই হু হু করে বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিল। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা জরুরি। তবে জানেন কি, সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই, আসছে গ্রীষ্মে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন বিদ্যুৎ বিল।
পর্যাপ্ত ঘুম হওয়ার পরও অনেকেরই সকাল থেকে রাত অবধি হাই উঠতেই থাকে। তবে ঘন ঘন এই হাই তোলাও কিন্তু হৃদ্রোগের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ থেকে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
৯ দিন আগে