বিডিজেন ডেস্ক
অঞ্চল বা দেশভেদে মানুষের উচ্চতা বিভিন্ন রকমের হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের উচ্চতা কম হওয়ার পেছনে জিনগত কারণের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পুষ্টিবিষয়ক কিছু বিষয়েরও ভূমিকা থাকে। চলুন জেনে নিই, বিশ্বের পাঁচটি দেশের নাম যেখানকার মানুষের গড় উচ্চতা সবচেয়ে কম।
ভিডিওতে দেখুন
পূর্ব তিমুর
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ পূর্ব তিমুরে বিশ্বের সবচেয়ে কম উচ্চতার মানুষের বসবাস। সেখানকার মানুষের গড় উচ্চতা মাত্র ১৫৬ দশমিক ৪২ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ১ দশমিক ৬ ইঞ্চি)। দেশটির জনসংখ্যাও কম। সেখানে মাত্র ১৩ লাখ ৯০ হাজার মানুষ বাস করে। প্রায় ৩৫ হাজার বছর আগে নব্যপ্রস্তর যুগের মানুষেরা এখানে বসতি শুরু করে। অস্ট্রোনেশিয়ান শিকারি জনগোষ্ঠীর পর এশীয় অভিবাসীরা সেখানে বসতি স্থাপন শুরু করে। পূর্ব তিমুরে গ্রামীণ পরিবারগুলোর একটা বড় অংশ চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে। অনেকেই প্রয়োজনীয় খাবার জোগাড় করতে পারে না। এতে দেশটিতে অপুষ্টি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গুয়াতেমালা
কম উচ্চতার মানুষের দিক থেকে বিশ্বে গুয়াতেমালার অবস্থান দ্বিতীয়। মধ্য আমেরিকার এ দেশটির মানুষের গড় উচ্চতা ১৫৭ দশমিক ৬৪ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২ দশমিক ১ ইঞ্চি)। জাতিগত বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ গুয়াতেমালার জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ ৬০ হাজার। এখানকার জনসংখ্যার প্রায় ৪২ শতাংশ আদিবাসী। মটরশুঁটি, ভুট্টা এবং মরিচ গুয়াতেমালার প্রধান খাবার। কাঠামোগত অসমতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকটকে কেন্দ্র করে এখানকার মানুষ অপুষ্টিতে ভোগে।
লাওস
কম উচ্চতার মানুষের বসবাসের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ লাওসের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। সেখানকার মানুষের গড় উচ্চতা ১৫৭ দশমিক ৯৪ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২ দশমিক ২ ইঞ্চি)। বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৭৬ লাখ ৬০ হাজার। দেশটির প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষই লাও জনগোষ্ঠীর। লাওদের মধ্যে প্রায় ১৮ লাখ মানুষ, অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় এক–চতুর্থাংশ অপুষ্টিতে ভুগছে। এর অন্যতম কারণ দারিদ্র্য।
নেপাল
দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপালের মানুষের গড় উচ্চতা ১৫৮ দশমিক ৩৮ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২ দশমিক ৪ ইঞ্চি)। কম উচ্চতার মানুষের দিক থেকে বিশ্বে দেশটির অবস্থান চতুর্থ। নেপালে ২ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার মানুষের বসবাস। নেপালের মানুষেরা সাধারণত গম, ভাত, মসুর ডাল এবং ভুট্টা খেয়ে থাকে। খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা, ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতির মতো সামাজিক সমস্যাগুলোর কারণে দেশটির অনেক মানুষ অপুষ্টিতে ভোগে।
বাংলাদেশ
বাংলাদেশের মানুষের গড় উচ্চতা ১৫৮ দশমিক ৭৩ সেন্টিমিটার (৫ ফুট আড়াই ইঞ্চি)। কম উচ্চতার মানুষের দিক থেকে এ দেশের অবস্থান বিশ্বে পঞ্চম। বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য ভাত। ভাতের সঙ্গে প্রোটিনের উৎস মাছও খাওয়া হয়ে থাকে। খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি এখানে বিশেষভাবে উদ্বেগের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এখানকার ৩৫ শতাংশ মানুষ পর্যাপ্ত খাবার খেতে পায় না। এতে পাঁচ কিংবা তার চেয়ে কম বয়সী ২৮ শতাংশ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে না।
তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস
অঞ্চল বা দেশভেদে মানুষের উচ্চতা বিভিন্ন রকমের হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের উচ্চতা কম হওয়ার পেছনে জিনগত কারণের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পুষ্টিবিষয়ক কিছু বিষয়েরও ভূমিকা থাকে। চলুন জেনে নিই, বিশ্বের পাঁচটি দেশের নাম যেখানকার মানুষের গড় উচ্চতা সবচেয়ে কম।
ভিডিওতে দেখুন
পূর্ব তিমুর
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ পূর্ব তিমুরে বিশ্বের সবচেয়ে কম উচ্চতার মানুষের বসবাস। সেখানকার মানুষের গড় উচ্চতা মাত্র ১৫৬ দশমিক ৪২ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ১ দশমিক ৬ ইঞ্চি)। দেশটির জনসংখ্যাও কম। সেখানে মাত্র ১৩ লাখ ৯০ হাজার মানুষ বাস করে। প্রায় ৩৫ হাজার বছর আগে নব্যপ্রস্তর যুগের মানুষেরা এখানে বসতি শুরু করে। অস্ট্রোনেশিয়ান শিকারি জনগোষ্ঠীর পর এশীয় অভিবাসীরা সেখানে বসতি স্থাপন শুরু করে। পূর্ব তিমুরে গ্রামীণ পরিবারগুলোর একটা বড় অংশ চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে। অনেকেই প্রয়োজনীয় খাবার জোগাড় করতে পারে না। এতে দেশটিতে অপুষ্টি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গুয়াতেমালা
কম উচ্চতার মানুষের দিক থেকে বিশ্বে গুয়াতেমালার অবস্থান দ্বিতীয়। মধ্য আমেরিকার এ দেশটির মানুষের গড় উচ্চতা ১৫৭ দশমিক ৬৪ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২ দশমিক ১ ইঞ্চি)। জাতিগত বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ গুয়াতেমালার জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ ৬০ হাজার। এখানকার জনসংখ্যার প্রায় ৪২ শতাংশ আদিবাসী। মটরশুঁটি, ভুট্টা এবং মরিচ গুয়াতেমালার প্রধান খাবার। কাঠামোগত অসমতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকটকে কেন্দ্র করে এখানকার মানুষ অপুষ্টিতে ভোগে।
লাওস
কম উচ্চতার মানুষের বসবাসের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ লাওসের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। সেখানকার মানুষের গড় উচ্চতা ১৫৭ দশমিক ৯৪ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২ দশমিক ২ ইঞ্চি)। বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৭৬ লাখ ৬০ হাজার। দেশটির প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষই লাও জনগোষ্ঠীর। লাওদের মধ্যে প্রায় ১৮ লাখ মানুষ, অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় এক–চতুর্থাংশ অপুষ্টিতে ভুগছে। এর অন্যতম কারণ দারিদ্র্য।
নেপাল
দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপালের মানুষের গড় উচ্চতা ১৫৮ দশমিক ৩৮ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২ দশমিক ৪ ইঞ্চি)। কম উচ্চতার মানুষের দিক থেকে বিশ্বে দেশটির অবস্থান চতুর্থ। নেপালে ২ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার মানুষের বসবাস। নেপালের মানুষেরা সাধারণত গম, ভাত, মসুর ডাল এবং ভুট্টা খেয়ে থাকে। খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা, ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতির মতো সামাজিক সমস্যাগুলোর কারণে দেশটির অনেক মানুষ অপুষ্টিতে ভোগে।
বাংলাদেশ
বাংলাদেশের মানুষের গড় উচ্চতা ১৫৮ দশমিক ৭৩ সেন্টিমিটার (৫ ফুট আড়াই ইঞ্চি)। কম উচ্চতার মানুষের দিক থেকে এ দেশের অবস্থান বিশ্বে পঞ্চম। বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য ভাত। ভাতের সঙ্গে প্রোটিনের উৎস মাছও খাওয়া হয়ে থাকে। খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি এখানে বিশেষভাবে উদ্বেগের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এখানকার ৩৫ শতাংশ মানুষ পর্যাপ্ত খাবার খেতে পায় না। এতে পাঁচ কিংবা তার চেয়ে কম বয়সী ২৮ শতাংশ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে না।
তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস
পেনশন কর্মসূচি বা স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হলে ৬০ বছর বয়সের পর থেকে আজীবন পেনশন সুবিধা পাবেন একজন চাঁদাদাতা। যদিও প্রবাসী বাংলাদেশি ও পোশাক খাতের কর্মীদের জন্য ৪০ বছর বয়স পার হলেই পেনশন দেওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
গরম এলেই হু হু করে বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিল। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা জরুরি। তবে জানেন কি, সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই, আসছে গ্রীষ্মে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন বিদ্যুৎ বিল।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
১০ দিন আগে