বিডিজেন ডেস্ক
নিজের একটি গাড়ি থাকবে এমন ইচ্ছা প্রায় সবারই। তবে বাজেটের জন্য নতুন গাড়ি কেনা সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে অনেকেই পুরোনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কেনেন। তবে পুরোনো গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল না রাখলে ভবিষ্যতে ঠকার আশঙ্কা থাকে।
সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কেনা সাশ্রয়ী হতে পারে, তবে সেটি সঠিকভাবে যাচাই করা না হলে এটি আপনাকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। চলুন জেনে নিই পুরোনো গাড়ি কেনার কী কী বিষয় আগে খেয়াল করা উচিত।
গাড়ির ইতিহাস যাচাই করুন
গাড়ির আগের মালিকের সংখ্যা, দুর্ঘটনার ইতিহাস, ওয়ারেন্টি স্ট্যাটাস, এবং সার্ভিস রেকর্ড যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি নিশ্চিত করবে গাড়িটি দুর্ঘটনাপ্রবণ কি না অথবা এটি কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে।
ইঞ্জিন ও মেকানিক্যাল অবস্থা
গাড়ির ইঞ্জিনের স্বাস্থ্য যাচাই করার জন্য এটি চালিয়ে দেখা উচিত এবং কোনো ধরনের শব্দ, কম্পন বা ধোঁয়া নির্গমনের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এতে বুঝতে পারবেন ইঞ্জিনটি কতটা কার্যক্ষম। এছাড়া ব্রেক, গিয়ারবক্স, ক্লাচ ইত্যাদি চেক করতে পারেন।
গাড়ির ওডোমিটার
পুরোনো গাড়ির ওডোমিটার চেক করে বোঝার চেষ্টা করুন গাড়িটি কত কিলোমিটার চালানো হয়েছে। ওডোমিটারের সংখ্যা কৃত্রিমভাবে কমানো হতে পারে, তাই সেটির সঙ্গে গাড়ির সার্বিক অবস্থার মিল খুঁজে দেখে নিন।
টায়ার ও সাসপেনশন
টায়ার এবং সাসপেনশনের অবস্থা ভালো না হলে গাড়ি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। টায়ারের ট্রেড, ভারসাম্য এবং সাসপেনশনের অবস্থা পরীক্ষা করা দরকার। যদি টায়ার খুব বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তাহলে সেটি শিগগির পরিবর্তন করতে হতে পারে।
গাড়ির ইলেকট্রনিক্স ও ফিচার
পুরোনো গাড়ির ইলেকট্রনিক ফিচারগুলো যেমন এয়ার কন্ডিশনিং, পাওয়ার উইন্ডো, সাউন্ড সিস্টেম ইত্যাদি যাচাই করে দেখুন। যদি এসব ফিচার কাজ না করে, তবে গাড়ির সুবিধাবাদিতায় কমতি আসবে এবং এসব মেরামতের জন্য অতিরিক্ত খরচ লাগতে পারে।
কাগজপত্র যাচাই
গাড়ির কাগজপত্র যেমন রেজিস্ট্রেশন, ইনস্যুরেন্স, ট্যাক্স টোকেন ইত্যাদি ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি। কোনো প্রকার কাগজপত্রে সমস্যা থাকলে সেটি পরবর্তীতে ঝামেলার কারণ হতে পারে।
মেকানিক দ্বারা পরীক্ষা করানো
গাড়িটি কেনার আগে একজন অভিজ্ঞ মেকানিক দ্বারা পরীক্ষা করানো ভালো। তারা গাড়ির যান্ত্রিক দিকগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করতে পারে, যা আপনার চোখ এড়িয়ে যেতে পারে।
দাম যাচাই ও দর কষাকষি
বাজারের গড় মূল্য যাচাই করে দাম নির্ধারণ করুন। দাম ঠিক মনে না হলে দর কষাকষি করতে পারেন। কোনো ডিলারের কাছ থেকে কিনলে তাদের কমিশন সম্পর্কেও খোঁজ নিতে ভুলবেন না।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
নিজের একটি গাড়ি থাকবে এমন ইচ্ছা প্রায় সবারই। তবে বাজেটের জন্য নতুন গাড়ি কেনা সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে অনেকেই পুরোনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কেনেন। তবে পুরোনো গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল না রাখলে ভবিষ্যতে ঠকার আশঙ্কা থাকে।
সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কেনা সাশ্রয়ী হতে পারে, তবে সেটি সঠিকভাবে যাচাই করা না হলে এটি আপনাকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। চলুন জেনে নিই পুরোনো গাড়ি কেনার কী কী বিষয় আগে খেয়াল করা উচিত।
গাড়ির ইতিহাস যাচাই করুন
গাড়ির আগের মালিকের সংখ্যা, দুর্ঘটনার ইতিহাস, ওয়ারেন্টি স্ট্যাটাস, এবং সার্ভিস রেকর্ড যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি নিশ্চিত করবে গাড়িটি দুর্ঘটনাপ্রবণ কি না অথবা এটি কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে।
ইঞ্জিন ও মেকানিক্যাল অবস্থা
গাড়ির ইঞ্জিনের স্বাস্থ্য যাচাই করার জন্য এটি চালিয়ে দেখা উচিত এবং কোনো ধরনের শব্দ, কম্পন বা ধোঁয়া নির্গমনের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এতে বুঝতে পারবেন ইঞ্জিনটি কতটা কার্যক্ষম। এছাড়া ব্রেক, গিয়ারবক্স, ক্লাচ ইত্যাদি চেক করতে পারেন।
গাড়ির ওডোমিটার
পুরোনো গাড়ির ওডোমিটার চেক করে বোঝার চেষ্টা করুন গাড়িটি কত কিলোমিটার চালানো হয়েছে। ওডোমিটারের সংখ্যা কৃত্রিমভাবে কমানো হতে পারে, তাই সেটির সঙ্গে গাড়ির সার্বিক অবস্থার মিল খুঁজে দেখে নিন।
টায়ার ও সাসপেনশন
টায়ার এবং সাসপেনশনের অবস্থা ভালো না হলে গাড়ি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। টায়ারের ট্রেড, ভারসাম্য এবং সাসপেনশনের অবস্থা পরীক্ষা করা দরকার। যদি টায়ার খুব বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তাহলে সেটি শিগগির পরিবর্তন করতে হতে পারে।
গাড়ির ইলেকট্রনিক্স ও ফিচার
পুরোনো গাড়ির ইলেকট্রনিক ফিচারগুলো যেমন এয়ার কন্ডিশনিং, পাওয়ার উইন্ডো, সাউন্ড সিস্টেম ইত্যাদি যাচাই করে দেখুন। যদি এসব ফিচার কাজ না করে, তবে গাড়ির সুবিধাবাদিতায় কমতি আসবে এবং এসব মেরামতের জন্য অতিরিক্ত খরচ লাগতে পারে।
কাগজপত্র যাচাই
গাড়ির কাগজপত্র যেমন রেজিস্ট্রেশন, ইনস্যুরেন্স, ট্যাক্স টোকেন ইত্যাদি ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি। কোনো প্রকার কাগজপত্রে সমস্যা থাকলে সেটি পরবর্তীতে ঝামেলার কারণ হতে পারে।
মেকানিক দ্বারা পরীক্ষা করানো
গাড়িটি কেনার আগে একজন অভিজ্ঞ মেকানিক দ্বারা পরীক্ষা করানো ভালো। তারা গাড়ির যান্ত্রিক দিকগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করতে পারে, যা আপনার চোখ এড়িয়ে যেতে পারে।
দাম যাচাই ও দর কষাকষি
বাজারের গড় মূল্য যাচাই করে দাম নির্ধারণ করুন। দাম ঠিক মনে না হলে দর কষাকষি করতে পারেন। কোনো ডিলারের কাছ থেকে কিনলে তাদের কমিশন সম্পর্কেও খোঁজ নিতে ভুলবেন না।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
পেনশন কর্মসূচি বা স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হলে ৬০ বছর বয়সের পর থেকে আজীবন পেনশন সুবিধা পাবেন একজন চাঁদাদাতা। যদিও প্রবাসী বাংলাদেশি ও পোশাক খাতের কর্মীদের জন্য ৪০ বছর বয়স পার হলেই পেনশন দেওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
গরম এলেই হু হু করে বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিল। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা জরুরি। তবে জানেন কি, সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই, আসছে গ্রীষ্মে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন বিদ্যুৎ বিল।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
১০ দিন আগে