বিডিজেন ডেস্ক
বর্তমানে যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপ খুবই জনপ্রিয়। । দ্রুত যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ইন্সট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন। তবে বিভিন্ন সময় এই মাধ্যমের অনেক অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতির বেশিরভাগ দায়টাই থাকে ব্যবহারকারীর।
চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন ভুলগুলোর কারণে আপনার অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হতে পারে-
অপরিচিত কাউকে বারবার মেসেজ করলে
আপনি যদি সারাদিন এমন লোকেদের বার্তা পাঠান, যারা আপনার যোগাযোগের তালিকায় নেই, আপনার বার্তাগুলো স্প্যাম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে।
কাউকে হুমকি দিলে
আপনি যদি কাউকে হয়রানি বা হুমকি দেওয়ার উদ্দেশে মেসেজ পাঠান, তবে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়াও ঘৃণ্য বা আপত্তিকর বার্তা পাঠানোর জন্যও আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
আপনার অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করলে
যদি অনেক ব্যবহারকারী আপনার অ্যাকাউন্টে রিপোর্ট করে থাকেন, তাহলে কোম্পানি আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। কোম্পানি আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে পারে। আপনাকে রিপোর্ট করা ব্যক্তিটি আপনার পরিচিতি তালিকার অংশ কি না তা বিবেচ্য নয়।
অন্য কারো নামে অ্যাপ ব্যবহার করলে
আপনি যদি অন্য কারো নাম, প্রোফাইল ফটো এবং পরিচয় দিয়ে মেসেজ করেন তবে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টও ব্যান হয়ে যেতে পারে। এটি হোয়াটসঅ্যাপের কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়৷ আপনি যদি কোনো সেলিব্রিটি, ব্র্যান্ড বা সংস্থার ছদ্মবেশে অ্যাপ চালান, তবে আপনার অ্যাকাউন্টও নিষিদ্ধ হতে পারে।
থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করলে
অনেক ব্যবহারকারী অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করার পরিবর্তে থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করেন। এই পরিস্থিতিতে হোয়াটসঅ্যাপ ডেল্টা, জিবিওয়াটসঅ্যাপ এবং হোয়াটসঅ্যাপ প্লাসের মতো নাম সহ অনেক অ্যাপ পাওয়া যায়। কিন্তু কোম্পানি এই অ্যাপস ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। আপনি যদি এই তৃতীয় পক্ষের অ্যাপগুলো ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তথ্যসূত্র: হোয়াটসঅ্যাপ হেল্প সেন্টার
বর্তমানে যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপ খুবই জনপ্রিয়। । দ্রুত যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ইন্সট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন। তবে বিভিন্ন সময় এই মাধ্যমের অনেক অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতির বেশিরভাগ দায়টাই থাকে ব্যবহারকারীর।
চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন ভুলগুলোর কারণে আপনার অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হতে পারে-
অপরিচিত কাউকে বারবার মেসেজ করলে
আপনি যদি সারাদিন এমন লোকেদের বার্তা পাঠান, যারা আপনার যোগাযোগের তালিকায় নেই, আপনার বার্তাগুলো স্প্যাম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে।
কাউকে হুমকি দিলে
আপনি যদি কাউকে হয়রানি বা হুমকি দেওয়ার উদ্দেশে মেসেজ পাঠান, তবে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়াও ঘৃণ্য বা আপত্তিকর বার্তা পাঠানোর জন্যও আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
আপনার অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করলে
যদি অনেক ব্যবহারকারী আপনার অ্যাকাউন্টে রিপোর্ট করে থাকেন, তাহলে কোম্পানি আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। কোম্পানি আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে পারে। আপনাকে রিপোর্ট করা ব্যক্তিটি আপনার পরিচিতি তালিকার অংশ কি না তা বিবেচ্য নয়।
অন্য কারো নামে অ্যাপ ব্যবহার করলে
আপনি যদি অন্য কারো নাম, প্রোফাইল ফটো এবং পরিচয় দিয়ে মেসেজ করেন তবে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টও ব্যান হয়ে যেতে পারে। এটি হোয়াটসঅ্যাপের কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়৷ আপনি যদি কোনো সেলিব্রিটি, ব্র্যান্ড বা সংস্থার ছদ্মবেশে অ্যাপ চালান, তবে আপনার অ্যাকাউন্টও নিষিদ্ধ হতে পারে।
থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করলে
অনেক ব্যবহারকারী অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করার পরিবর্তে থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করেন। এই পরিস্থিতিতে হোয়াটসঅ্যাপ ডেল্টা, জিবিওয়াটসঅ্যাপ এবং হোয়াটসঅ্যাপ প্লাসের মতো নাম সহ অনেক অ্যাপ পাওয়া যায়। কিন্তু কোম্পানি এই অ্যাপস ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। আপনি যদি এই তৃতীয় পক্ষের অ্যাপগুলো ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তথ্যসূত্র: হোয়াটসঅ্যাপ হেল্প সেন্টার
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
গরম এলেই হু হু করে বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিল। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা জরুরি। তবে জানেন কি, সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই, আসছে গ্রীষ্মে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন বিদ্যুৎ বিল।
পর্যাপ্ত ঘুম হওয়ার পরও অনেকেরই সকাল থেকে রাত অবধি হাই উঠতেই থাকে। তবে ঘন ঘন এই হাই তোলাও কিন্তু হৃদ্রোগের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ থেকে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
৯ দিন আগে