বিডিজেন ডেস্ক
আজকাল প্রায়ই শোনা যাচ্ছে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ বা ‘ডেভিলস ব্রেথ’ এর মাধ্যমে এক শ্রেণির প্রতারক চক্র সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লুট করে নিচ্ছে টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী। এটি এক ধরনের ড্রাগ, যার নাম ‘স্কোপোলামিন।’ মানুষকে হিপনোটাইজ বা বশ করা হয় ‘শয়তানের নিশ্বাস’ বা ‘ডেভিলস ব্রেথ’ এর মাধ্যমে। এরপর মানুষ নিজ থেকেই অপরাধীর হাতে তুলে দেয় নিজের কাছে থাকা সবকিছু। বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ওষুধ বলা হয় একে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কোপোলামিনের মূল উপাদান আসে ধুতরা ফুল থেকে। এটি তরল ও পাউডার—দুই রকমেরই হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্কোপোলামিনের অনেক ব্যবহার আছে। বমি বমি ভাব, মোশন সিকনেস এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপারেশন পরবর্তী রোগীর জন্য ওষুধে এর ব্যবহার আছে।
তবে এটা প্রাকৃতিক কোনো উপাদান নয়। বরং প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে আরো কিছু যোগ করে কৃত্রিমভাবে স্কোপোলামিন তৈরি করা হয়। এটা তরল এবং পাউডার দুই রূপেই পাওয়া যায়।
শয়তানের নিশ্বাস ব্যবহারের সময় অপরাধীরা নিজেরা মাস্ক পরে থাকে এবং স্কোপোলামিন মাখানো কাগজ বা কার্ড রাখে সঙ্গে। কোনো পথচারীকে ডেকে ঠিকানা জিজ্ঞেস করার ছলে নাকের কাছাকাছি নিয়ে যায় সেই কাগজ বা কার্ড। এতে আক্রান্ত ব্যক্তি সম্মোহিত হয়ে যান এবং নিজের সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র নিজ থেকেই দিয়ে দেন অপরাধীকে।
‘শয়তানের নিশ্বাস’ থেকে বাঁচতে করণীয়
রাস্তায় অপরিচিত কোনও ব্যাক্তি ডাকলে সাবধান থাকতে হবে।
পরিচিত কারোর কাছ থেকে খাবার বা পানীয় খাওয়া যাবে না।
রাস্তায় চলাচলের সময় মাস্ক ব্যবহার করুন। এতে শ্বাসের মাধ্যমে স্কোপোলামিন শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না।
সমস্যায় পড়লে নিকটস্থ থানা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে।
আজকাল প্রায়ই শোনা যাচ্ছে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ বা ‘ডেভিলস ব্রেথ’ এর মাধ্যমে এক শ্রেণির প্রতারক চক্র সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লুট করে নিচ্ছে টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী। এটি এক ধরনের ড্রাগ, যার নাম ‘স্কোপোলামিন।’ মানুষকে হিপনোটাইজ বা বশ করা হয় ‘শয়তানের নিশ্বাস’ বা ‘ডেভিলস ব্রেথ’ এর মাধ্যমে। এরপর মানুষ নিজ থেকেই অপরাধীর হাতে তুলে দেয় নিজের কাছে থাকা সবকিছু। বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ওষুধ বলা হয় একে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কোপোলামিনের মূল উপাদান আসে ধুতরা ফুল থেকে। এটি তরল ও পাউডার—দুই রকমেরই হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্কোপোলামিনের অনেক ব্যবহার আছে। বমি বমি ভাব, মোশন সিকনেস এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপারেশন পরবর্তী রোগীর জন্য ওষুধে এর ব্যবহার আছে।
তবে এটা প্রাকৃতিক কোনো উপাদান নয়। বরং প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে আরো কিছু যোগ করে কৃত্রিমভাবে স্কোপোলামিন তৈরি করা হয়। এটা তরল এবং পাউডার দুই রূপেই পাওয়া যায়।
শয়তানের নিশ্বাস ব্যবহারের সময় অপরাধীরা নিজেরা মাস্ক পরে থাকে এবং স্কোপোলামিন মাখানো কাগজ বা কার্ড রাখে সঙ্গে। কোনো পথচারীকে ডেকে ঠিকানা জিজ্ঞেস করার ছলে নাকের কাছাকাছি নিয়ে যায় সেই কাগজ বা কার্ড। এতে আক্রান্ত ব্যক্তি সম্মোহিত হয়ে যান এবং নিজের সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র নিজ থেকেই দিয়ে দেন অপরাধীকে।
‘শয়তানের নিশ্বাস’ থেকে বাঁচতে করণীয়
রাস্তায় অপরিচিত কোনও ব্যাক্তি ডাকলে সাবধান থাকতে হবে।
পরিচিত কারোর কাছ থেকে খাবার বা পানীয় খাওয়া যাবে না।
রাস্তায় চলাচলের সময় মাস্ক ব্যবহার করুন। এতে শ্বাসের মাধ্যমে স্কোপোলামিন শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না।
সমস্যায় পড়লে নিকটস্থ থানা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
গরম এলেই হু হু করে বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিল। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা জরুরি। তবে জানেন কি, সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই, আসছে গ্রীষ্মে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন বিদ্যুৎ বিল।
পর্যাপ্ত ঘুম হওয়ার পরও অনেকেরই সকাল থেকে রাত অবধি হাই উঠতেই থাকে। তবে ঘন ঘন এই হাই তোলাও কিন্তু হৃদ্রোগের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ থেকে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
৯ দিন আগে