বিডিজেন ডেস্ক
বাংলাদেশ থেকে কাজের জন্য যারা প্রবাসে যেতে চান বা প্রবাস থেকে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন, তাদেরকে তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ব্যাংক থেকে প্রবাসে যেতে ইচ্ছুক বা প্রবাস ফেরত ব্যক্তিরা চারটি স্কিমে ঋণ নিতে পারবেন। এগুলো হলো- এগুলো হলো অভিবাসন ঋণ বা মাইগ্রেশন ঋণ, পুনর্বাসন ঋণ, বঙ্গবন্ধু অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ, বিশেষ পুনর্বাসন ঋণ।
এসব স্কিমের আওতায় কোন রকম জামানত ছাড়াই একজন প্রবাসে গমনেচ্ছু ব্যক্তি অন্তত দুই বছর মেয়াদে তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারেন। বিদেশে গিয়ে কাজ করে এই ঋণের টাকা শোধ করা যায়।
আবেদন করবেন যেভাবে
ব্যাংকের নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে ঋণের জন্য আবেদন করতে হয়। সেই সঙ্গে সত্যায়িত ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্র ও পাসপোর্টের ফটোকপি, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা সম্বলিত পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের সার্টিফিকেটের ফটোকপি দিতে হবে। সেই সঙ্গে ঋণের দুই জন জামিনদারের জন্যও এসব কাগজপত্র দিতে হবে।
ব্যাংকে একটি সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে হবে এবং বিদেশ থেকে ওই হিসাবের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে হবে।
সেই সঙ্গে বিদেশের কাজের বিবরণ, ভিসা, এজেন্সির প্রত্যয়ন পত্র, বিমান টিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র দিতে হয়।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরিশাস, ব্রুনাই, কাতার, ইতালি, ইউরোপের জন্য নয় শতাংশ সুদে দুই বছরের জন্য ঋণ পাওয়া যায়। তবে সিঙ্গাপুরের ক্ষেত্রে এক বছরের মধ্যে ঋণ শোধ করতে হবে।
পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহায়তা
বিদেশ থেকে যারা দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন, তাদের জন্য রয়েছে এই ব্যাংকের পুনর্বাসন প্রকল্প। কৃষি ঋণ, মুরগীর খামার, মৎস্য চাষ, বায়োগ্যাস প্লান্ট, সৌর জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, নারী উদ্যোক্তা ইত্যাদি খাতে পুনর্বাসনের জন্য ঋণ পাওয়া যায়।
এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি বিদেশ থেকে দেশে চলে এসেছেন। তার বৈধ কাগজপত্র বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট থাকতে হবে। বিদেশ থেকে আসার পাঁচ বছরের মধ্যে এই ঋণের জন্য আবেদন করতে হবে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে যারা দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন, তাদের জন্য বিশেষ পুনর্বাসন ঋণ চালু করেছে ব্যাংকটি। সেই সঙ্গে প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যরা 'বঙ্গবন্ধু অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ' থেকে ঋণ নিয়ে আর্থিক ক্ষতি বা ধকল কাটাতে চেষ্টা করতে পারেন। এক্ষেত্রে মৎস্য, প্রাণী, কুটির শিল্প ইত্যাদি খাতে ঋণ দেওয়া হয়। জামানত বিহীন সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে। তবে দুই লাখের বেশি হলে জামানত লাগবে।
এর বাইরে বিদেশ থেকে আসা বেকার প্রবাসীরা কর্মসংস্থান ব্যাংকের সহায়তাও নিতে পারেন। সেখান থেকে ব্যবসা, কৃষি, কুটির শিল্প, ইত্যাদি খাতে কর্মসংস্থানের জন্য সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ থেকে কাজের জন্য যারা প্রবাসে যেতে চান বা প্রবাস থেকে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন, তাদেরকে তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ব্যাংক থেকে প্রবাসে যেতে ইচ্ছুক বা প্রবাস ফেরত ব্যক্তিরা চারটি স্কিমে ঋণ নিতে পারবেন। এগুলো হলো- এগুলো হলো অভিবাসন ঋণ বা মাইগ্রেশন ঋণ, পুনর্বাসন ঋণ, বঙ্গবন্ধু অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ, বিশেষ পুনর্বাসন ঋণ।
এসব স্কিমের আওতায় কোন রকম জামানত ছাড়াই একজন প্রবাসে গমনেচ্ছু ব্যক্তি অন্তত দুই বছর মেয়াদে তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারেন। বিদেশে গিয়ে কাজ করে এই ঋণের টাকা শোধ করা যায়।
আবেদন করবেন যেভাবে
ব্যাংকের নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে ঋণের জন্য আবেদন করতে হয়। সেই সঙ্গে সত্যায়িত ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্র ও পাসপোর্টের ফটোকপি, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা সম্বলিত পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের সার্টিফিকেটের ফটোকপি দিতে হবে। সেই সঙ্গে ঋণের দুই জন জামিনদারের জন্যও এসব কাগজপত্র দিতে হবে।
ব্যাংকে একটি সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে হবে এবং বিদেশ থেকে ওই হিসাবের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে হবে।
সেই সঙ্গে বিদেশের কাজের বিবরণ, ভিসা, এজেন্সির প্রত্যয়ন পত্র, বিমান টিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র দিতে হয়।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরিশাস, ব্রুনাই, কাতার, ইতালি, ইউরোপের জন্য নয় শতাংশ সুদে দুই বছরের জন্য ঋণ পাওয়া যায়। তবে সিঙ্গাপুরের ক্ষেত্রে এক বছরের মধ্যে ঋণ শোধ করতে হবে।
পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহায়তা
বিদেশ থেকে যারা দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন, তাদের জন্য রয়েছে এই ব্যাংকের পুনর্বাসন প্রকল্প। কৃষি ঋণ, মুরগীর খামার, মৎস্য চাষ, বায়োগ্যাস প্লান্ট, সৌর জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, নারী উদ্যোক্তা ইত্যাদি খাতে পুনর্বাসনের জন্য ঋণ পাওয়া যায়।
এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি বিদেশ থেকে দেশে চলে এসেছেন। তার বৈধ কাগজপত্র বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট থাকতে হবে। বিদেশ থেকে আসার পাঁচ বছরের মধ্যে এই ঋণের জন্য আবেদন করতে হবে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে যারা দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন, তাদের জন্য বিশেষ পুনর্বাসন ঋণ চালু করেছে ব্যাংকটি। সেই সঙ্গে প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যরা 'বঙ্গবন্ধু অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ' থেকে ঋণ নিয়ে আর্থিক ক্ষতি বা ধকল কাটাতে চেষ্টা করতে পারেন। এক্ষেত্রে মৎস্য, প্রাণী, কুটির শিল্প ইত্যাদি খাতে ঋণ দেওয়া হয়। জামানত বিহীন সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে। তবে দুই লাখের বেশি হলে জামানত লাগবে।
এর বাইরে বিদেশ থেকে আসা বেকার প্রবাসীরা কর্মসংস্থান ব্যাংকের সহায়তাও নিতে পারেন। সেখান থেকে ব্যবসা, কৃষি, কুটির শিল্প, ইত্যাদি খাতে কর্মসংস্থানের জন্য সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হয়।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে রক্ত-ঘাম ঝরানো আয়ের একটি অংশ যদি নিরাপদে, করমুক্তভাবে ও বাড়তি সুবিধাসহ বিনিয়োগ করতে চান—তাহলে ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ড হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। শুধু মুনাফা নয়, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা আর পারিবারিক সুরক্ষার নিশ্চয়তাও মিলবে একসঙ্গে।
চট্টগ্রামে সরকারিভাবে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিকেটিটিসি) সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর-২০২৫ সেশনে কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণ কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা কোর্সে ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
জিম বা ব্যায়ামাগারে যাওয়ার সময় পাচ্ছেন না? চিন্তার কিছু নেই, প্রতিদিনের রুটিনে অন্তত ১৫ মিনিট দ্রুত হাঁটা যোগ করলেই সুস্থ থাকা সম্ভব। নতুন গবেষণায় এমনটাই জানা গেছে।
জন্মসূত্রে আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। তবে বিশ্বায়নের যুগে সম্ভাবনার দ্বার খুলতে অনেকেই চান নিজ দেশের পাশাপাশি অন্য দেশের নাগরিকত্ব থাকুক। এ ক্ষেত্রে অনেকেই ভিনদেশি মানুষকে বিয়ে করে নাগরিকত্ব নেন। একসময় চিঠিই ছিল যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম।